জাতীয়

পরিবারবাদী দলগুলির মাঝে এখন বিজেপিই একমাত্র সর্বভারতীয় দল: মোদী

নয়া দিল্লি: মঙ্গলবার (২৮ মার্চ), নয়া দিল্লিতে বিজেপির নবনির্মিত কেন্দ্রীয় কার্যালয় সম্প্রসারিত অংশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, এই ভবনের সম্প্রসারণ আসলে দলের অগ্রগতির প্রতীক। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ভারতে কয়েকটি মাত্র হাতে গোনা পরিবারবাদী দল পড়ে রয়েছে। তবে, বিজেপিই দেশের একমাত্র দল যাদের সর্বভারতীয় উপস্থিতি রয়েছে। তিনি বলেন, “দেশে পরিবার-পরিচালিত রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বিজেপি এখন একমাত্র দল যাদের পূর্ব থেকে পশ্চিমে এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে সর্বভারতীয় উপস্থিতি আছে। আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল দুটি লোকসভা আসন দিয়ে। এখন আমাদের ৩০৩টি আসন রয়েছে।” এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদী ছাড়া বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ গেরুয়া শিবিরের অনেক বিশিষ্ট নেতা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী দাবি করেন, বর্তমানে বিজেপি শুধুমাত্র বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলই নয়, বিশ্বের সবথেকে ভবিষ্যতবাদী দলও বটে। আর, এর একমাত্র লক্ষ্য হল একটি আধুনিক এবং উন্নত ভারত গঠন করা। তিনি বলেন, “এই কার্যালয়ের সম্প্রসারণ শুধু একটি ভবনের সম্প্রসারণ নয়, এটি প্রতিটি বিজেপি কর্মীর স্বপ্নের সম্প্রসারণ। আমি দলের কোটি কোটি কর্মীকে প্রণাম করছি। আমি দলের সমস্ত প্রতিষ্ঠাতা সদস্যকেও প্রণাম করছি। বিজেপি একটি ছোট দল ছিল, যার স্বপ্ন ছিল দেশের জন্য। এই ভবনটির সম্প্রসারণ দলের অগ্রগতির প্রতীক।”

 

 ‘বিয়ের আগে মিলনে আপত্তি, তাই রাগের মাথায়..’, নাদিমা খুনে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি হবু বরের

 

১৯৮৪ সালের শিখ দাঙ্গার পরবর্তী সময়ে বিজেপিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি বলেন, “দেশ কখনই ১৯৮৪ সালের সেই অন্ধকারময় পর্বটি ভুলতে পারবে না। সেই নির্বাচনে কংগ্রেস ঐতিহাসিক জনমত পেয়েছিল। পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ আবেগপূর্ণ। আমরা সেই তরঙ্গে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা হতাশ হইনি, অন্যকে দোষারোপও করিনি।”

বিরোধীদের ঐক্যকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “যারা দুর্নীতিতে গভীরভাবে ডুবে আছে, তারা সবাই এক মঞ্চে একত্রিত হচ্ছে। আমরা দুর্নীতিগ্রস্তদের শিকড় নড়বড়ে করে দিয়েছি। কংগ্রেসের আমলে পিএমএলএ-র অধীনে মাত্র ৫,০০০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। কিন্তু বিজেপির অধীনে আমরা প্রায় ১০,০০,০০০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছি। ২০ হাজার পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধীরা আমাদের হাতে ধরা পড়েছে।”

Related Articles

Back to top button