পুরনো হয়ে যাওয়া নথিই কি ফেলে দেওয়া হয়েছিল? কুর্তির ভাঁজে CU-এর OMR ঘিরে এখনও অধরা সূত্র

কলকাতা: কুর্তির প্যাকেটে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের OMR শিট। কিন্তু কীভাবে? এর মধ্যেও কি কোনও দুর্নীতির গন্ধ আছে? উত্তর এখনও অধরা। দুর্নীতির একাধিক ইস্যুর মধ্যে দানা বাঁধছে রহস্য। জানা যাচ্ছে, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনেক সময় দীর্ঘদিনের পুরনো হয়ে যাওয়া এবং অপ্রয়োজনীয় নথি অন্যত্র সরিয়ে ফেলে। অনেক সময় বিক্রিও করে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রেও কি সেরকমই কিছু হয়েছিল? OMR উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলেই OMR-জটিলতা কাটতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাতেই ফুটপাথের ব্যবসায়ীদের থেকে OMR শিট বাজেয়াপ্ত করে নিয়েছে বেহালা থানা। এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি পুলিশের কাছে। সূত্রের খবর, প্রয়োজনে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পুলিশ যোগাযোগ করতে পারে OMR সক্রান্ত তথ্য জানার জন্য।
নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে এমনিতেই তপ্ত বাংলা। তার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বেহালা ১৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ডের কাছে ডায়মন্ড হারবার রোডের উপর রাস্তার ধারে চুড়িদারের দোকান। অভিযোগ, সেই দোকানে কুর্তির প্যাকেটের ভিতর থেকে উদ্ধার হয় ওএমআর শিট।
শুক্রবার বঙ্গ সফরে অমিত শাহ, সিউড়িতে হতে পারে জনসভা
দোকানি নিউ মার্কেট থেকে কুর্তি পাইকারি দরে আনতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে পোশাকের নতুন স্টক নিয়ে আসেন। দোকানে এনে যখন সামগ্রী সাজাচ্ছেন, হঠাৎই দেখেন কুর্তির বান্ডিলে কাগজ। তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম লেখা। দোকানি তা বের করে দেখেন ওএমআর শিট। কুর্তির ভাঁজে কীভাবে ওএমআর শিট, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। এখনও সেই জল্পনা জিইয়ে রয়েছে।



