রাজ্য

কে কাকে চিনিয়েছে? ‘বড় মা’ নিয়ে ঠিক কি বলেছিলেন মমতা , আর তাঁকে নিশানা করে কি বলতেন শুভেন্দু।

এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আরও এক আক্রমণ শানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে। যার কেন্দ্রে রয়েছে মতুয়া সম্প্রদায়। যে কেন্দ্রে যে ভোটারের সংখ্যা বেশি, সেই কেন্দ্রে তাঁদের মতো করে ভাষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মতুয়া অধ্যুষিত বনগাঁ, রানাঘাট কিংবা কৃষ্ণনগরে তিনি তাঁদের মতো করেই ভাষণ দিয়েছেন কিংবা দিচ্ছেন। তুলছেন ‘বড় মা’র কথা।

এই রকম এক সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হরিচাঁদ ঠাকুরকে প্রণাম জানিয়ে মতুয়া ভাই-বোনেদের উদ্দেশে বলেন, বড় মা যতদিন বেঁচে ছিলেন, ততদিন তাঁর চিকিৎসাার ভার তিনিই (মমতা) নিয়েছিলেন। কুড়ি বছর ধরে অসুস্থ হলেই তিনি কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতেন। ক্ষমতায় না থাকলেও তিনি এই কাজ করে গিয়েছেন।

দিনটা হল দোসরা মে। ২০২১-এর এই দিনে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলায় বিপুল গরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরে। আর ২০০-র বেশি আসন প্রাপ্তির দাবি করা বিজেপি ৭৭-এ গিয়ে থেমে যায়। যদিও সেইদিনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়।

এদিন বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মিথ্যাবাদী এবং কম্পার্টমেন্টাল মুখ্যমন্ত্রী বলে ফের একবার আক্রমণ করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, ২০২১-এর এই দিনে ১৯৫৬ ভোটে তিনি নন্দীগ্রাম বিধানসভায় জয়ী হয়েছিলেন।

Related Articles

Back to top button