রাজ্য

নির্দিষ্ট ষ্টেশনে থামলো না ট্রেন,ঘটনা চুঁচুড়া স্টেশনে:-

 

হাওড়া- বর্ধমান সুপার দাঁড়াল না চুঁচুড়া স্টেশনে। না থেকে চলে গেল হুগলি। পরে ফিরে এল যাত্রীদের নামাতে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় চুঁচুড়া স্টেশন চত্বরে। ট্রেনটি প্রতিদিন হাওড়া থেকে ছেড়ে শ্রীরামপুর, শেওড়াফুলি ও চন্দননগরের পর চুঁচুড়া স্টেশনে থামে। কিন্তু মঙ্গলবার সেখানে না দাঁড়িয়ে সরাসরি চলে যায় হুগলিতে।স্টপেজে না দাঁড়িয়ে ছুটল ট্রেন। পরের স্টেশন থেকে আবার ফিরল যাত্রী নামাতে। এমনই অবাক করা ঘটনা ঘটল হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে এই লাইনের চুঁচুড়া স্টেশনে। ঠিক কী ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখছে রেল।৩৭৮৪৯ আপ বর্ধমান লোকাল যা ‘সুপার’ নামে পরিচিত, সেটি হাওড়া থেকে ছেড়ে শ্রীরামপুর, শেওড়াফুলি ও চন্দননগরের পর চুঁচুড়া স্টেশনে দাঁড়ায়। মঙ্গলবার ট্রেনটি নির্দিষ্ট সময়ের থেকে ২ মিনিট বিলম্বে হাওড়া থেকে ছাড়ে। যেহেতু গ্যালোপিং ট্রেন, তাই শহরতলি ও পার্শ্ববর্তী হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার বহু মানুষ এই ট্রেনে কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরেন। জানা গিয়েছে, ট্রেনটির চুঁচুড়া স্টেশনে স্টপেজ থাকলেও এদিন না দাঁড়িয়ে সোজা হুগলিতে গিয়ে দাঁড়ায়। এদিকে এই ঘটনায় রীতিমতো হতচকিত হয়ে যান ট্রেনের যাত্রীরা। যে সমস্ত যাত্রীর চুঁচুড়া নামার কথা তাঁদের অনেকেই রীতিমতো উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন। কার্যত শোরগোল পড়ে যায় ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে। এরপর হুগলি স্টেশন থেকে ট্রেনটি ফের ফিরে আসে চুঁচুড়ায়। তারপর সেখানে যাত্রীদের নামিয়ে, মিনিট দশেক দাঁড়িয়ে ফের গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেয়।”এই বিষয়ে ট্রেনের এক যাত্রী বলেন, ‘চন্দননগর পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই ছিল। এরপর সন্ধে ৭ টা ৫৫ মিনিটে ট্রেনটি চুঁচুড়ায় ঢুকলেও না দাঁড়িয়ে সোজা হুগলি চলে যায়।

Related Articles

Back to top button