হাথরস নিয়ে কড়া পদক্ষেপ যোগী সরকারের
বুধবার উত্তর প্রদেশে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজকদের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রায় আড়াই লক্ষ ভক্ত। ধর্মীয় জমায়েতে পদদলিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১২১ জনের।
সৎসঙ্গের ভোলেবাবা নারায়ন হরিকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এর। রাজ্যের ডিজিপিকে তার কড়া নির্দেশ অবিলম্বে ওই পলাতক সাধুকে খুঁজে বের করতে হবে। অনুমান মইন পুরীর কোন আশ্রমে লুকিয়ে রয়েছেন তিনি। মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। এদিন সাংবাদিক সম্মেলন তিনি বলেন, দুর্ঘটনার কারণে প্রাথমিক ব্যবস্থা দেখতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তিনজন মন্ত্রী সেখানে রয়েছেন এখনো। মুখ্য সচিব এবং পুলিশের ডিজিরা সেখানেই অতন্দ্র প্রহরীর মতন তদন্ত করছেন। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং প্রশাসন এই ঘটনার জন্য যারা দায়ী তাদের কাছে জবাবদিহি চাওয়া শুরু করে দিয়েছেন। প্রাথমিক পর্যায়ের তদন্ত শেষ হলেই ধরপাকরের ব্যবস্থা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যোগী। সত্যিই যদি এটা ষড়যন্ত্র হয়ে থাকে তবে এর পিছনে যারা মূল চক্রি রয়েছেন তাদের কাউকে রেয়াত করা হবে না বলেও জানিয়েছেন। তবে এই ঘটনা নিয়ে যারা রাজনীতি করছেন তাদের এই ঘটনা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রাজ্যের ইতিহাসে অন্যতম দুঃখজনক এবং বেদনাদায়ক ঘটনা বলে দাগিয়ে দিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ। হতাহতদের আর্থিক সাহায্যের বিষয়ে এদিন তিনি বলেন রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার আর্থিক সাহায্য ঘোষনা করেছে। নিরীহ মানুষদের বিশেষ করে নাবালক শিশু যারা স্কুল ছাত্র তাদের যাবতীয় শিক্ষার সুবিধা দেওয়া হবে বাল সেবা যোজনার অধীনে। মৃতদের আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে চার লক্ষ এবং যারা সামান্য আহত হয়েছেন তাদের এক লক্ষ। মুখ্যমন্ত্রী সার্কিট হাউসে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং জেলা হাসপাতালে দেখা করেন।


