দৈনিক সারাদিন পত্রিকার সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের সময়-সম্পত্তি কেড়ে নিতে চাই তা প্রমাণিত হলো

সম্পাদকের কণ্ঠ রোধ করতে না পেরে , তৃণমূল পার্টিতে যোগদান করতেই নানা ধরনের কৌশল অবলম্বন করছে রাজনৈতিক নেতারা। কাগজের সম্পাদক সাংবাদিক ও লেখক তাকে নাকি রাজনৈতিক নেতাদের কথা মত চলতে হবে, তৃণমূল পার্টি করতে হবে। কথা না শুনলে জীবনটা তো কেড়ে নিতে চায়। কিন্তু সেটা যখন পারছে না তখন পুকুরে বিষ ,বাড়িতে লুটপাট ফিশরি দখল নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। শুধু এখানে শেষ নয়, সম্পাদকের সম্পত্তি যখন অন্য লোকের নামে রেকর্ড হয়ে গেল, কোন ইনফরমেশন বা কোন তথ্য সম্পাদককে দেওয়া হয়নি ,নোটিশ করা হয়নি। অথচ ঠিক একমাস আগে অ্যাপিল কেসে 1022/24 সম্পাদকের ফেভার অর্ডার হয়। রেকর্ড হওয়ার পরেও তার ঠিক একমাস পরে সেই সম্পত্তির রেকর্ড বাতিল করে আজগুপি এক রহস্যময়ী নারীর উদঘাটন করে তার নামে রেকর্ড করালো, রাজনৈতিক নেতাদের কাগজ-কলমের জোরে। সম্পাদকের জ্যাঠামশাই কয়েক বছর আগে মারা গিয়েছে, তিনি মৃত্যুর আগেই নিজে সম্পত্তি তার দুই ভাইপোর সম্পাদক ও সম্পাদকের ভাইয়ের নামে উইল করে দিয়ে গিয়েছিলেন। তবে তিনি উইলে স্পষ্টভাবে লিখেছেন তিনি অবিবাহিত ছিলেন, মরে যাওয়ার পরেও মৃত ব্যক্তির স্ত্রী উদও হলো খাতা কলমে, বাস্তবে কতটা আছে সম্পাদকের পরিবার জানে না। মরে যাওয়ার আগে তিনি অবিবাহিত ছিলেন মরে যাওয়র পরে সেই কবরে গিয়ে তিনি শান্তিতে নেই ,তাকে রাজনৈতিক নেতারা বিয়ে দিয়েই ছাড়লেন। মৃত ব্যক্তিকে রাজনৈতিক নেতারা বিয়ে দিয়ে দিলেন দুখিরাম সরদারকে। ভাবুন রাজনৈতিক নেতারা কী না পারে তাদের হাতে ক্ষমতা আছে বলে। এই দুখিরাম সরদার হচ্ছে সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদার নিজের জ্যাঠামশাই। তার সম্পত্তি রাজনৈতিক নেতারা সম্পাদকের কাছ থেকে কেড়ে নিতে চায়, সেই কারণেই আজব এক রহস্যময়ীকে উদঘাটন করে ওয়ারিশান বানিয়ে দিয়েছে সম্পাদকের পরিবারের। আজব আজব এই পৃথিবী, তৃণমূল সরকারে থাকলে কি না করা যায়।
মৃত ব্যক্তিকে বিয়েও দিয়ে দেওয়া যায় সেটা আবার পঞ্চায়েতের প্রধানের ওয়ারিশন সার্টিফিকেট অনুযায়ী। ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের ভূমি সংস্কার দপ্তর এক মাস আগে ওই জমিটি নতুন করে রেকর্ড দিয়েছিলেন সম্পাদকের পরিবারের নামে । কেসের অর্ডার অনুযায়ী , সেই জমি কোনো নোটিশ ছাড়াই সম্পাদকের মৃত্যুঞ্জয় সরদারকে না জানিও রাতারাতি বাসন্তী সরদারের নাম রেকর্ড হয়ে গেল কিভাবে? তার সদ উত্তর আজও মেলেনি ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক কাজ দিয়ে ! অথচ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদার যখন জানতে পেরে বি এল আর কে লিখিত জানালেন , তখন হেয়ারিং করার নামে হয়রানি করানোর জন্য মৃত্যুঞ্জয় সরদারকে নোটিস ইমেইল করে পাঠিয়েছেন। সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের জমি যখন রেকর্ড কেটে অন্য লোকের নামে রেকর্ড দিলেন তখন মৃত্যুঞ্জয় বাবুকে একবারও জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অফিসাররা। অথচ উনি যখন লিখিত অভিযোগ করে ওই নামের রেকর্ড বাতিল করতে আবেদন করছেন ,তখন তাকে হয়রানি করানোর জন্য হিয়ারিং করবে বলে নোটিশ ধরাচ্ছেন। অথচ সম্পাদকের নামের যখন রেকর্ড বাতিল হল তখন সম্পাদককে জানানোর প্রয়োজন মনে করলেন না ভূমি সংস্কারের দপ্তরের অফিসার। তৃণমূল সরকার জামানায় কি না হয়, তা কাগজের সম্পাদক হোক বা সরকারি আমলা হোক কাউকে এরা ছাড়ে না।
প্রশ্ন হল যে সম্পত্তিটা নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কৌশল করে কেড়ে নিতে চায়।সেই জমিটা সম্পাদক নিজের বসতবাড়ি। এই জমি নিয়ে কলকাতার উচ্চ আদালতে মামলাও রয়েছে। সেই মামলায় পুলিশকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট, এছাড়া সম্পাদকের নিরাপত্তা দিতে বলেও দিয়েছে। এই সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার জন্য সুপারি কিলারকে কাজে লাগিয়েছে রাজনৈতিক নেতারা। তিনি প্রকাশ্যে তাঁর পরিবারের লোকজন দিয়ে হুমকি দিচ্ছে আমার শেষ থেকে ছাড়বে। শুধু এখানেই শেষ নয়, পরিকল্পনা করছে হেয়ারিং এর দিনে আমাকে হেয়ারিং এ হয়তো পৌঁছাতেই দেবে না রাস্তায় মধ্যে খুন করবে। আর সে চেষ্টাই ব্যর্থ হলে, ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে অফিসে রাজনৈতিক লোকজনকে সামনে রেখে আমার উপরে আক্রমণ করবে এ খবর ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্রে। শুধু এখানে শেষ নয় সম্পাদক পরিবারের উপরে কুড়ি বছর অত্যাচার চলছে। সবটা লোকাল রাজনৈতিক নেতাদের মদদে, সম্পাদকের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটতে চলেছে । সম্পাদক দেখতে চায় যে কলমের জোর বেশি, না রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতি ও বোম বন্দুকের জোর বেশি। তবে সমস্ত বিষয় পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানা গেছে। প্রকাশ্য ভাবেই প্রমাণিত হলো দৈনিক সারাদিন পত্রিকার সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের সময়-সম্পত্তি কেড়ে নিতে চাইছে। এবং তার পরিবারকে অনাহারে মারতে চায়, তবে উচ্চ আদালতের প্রতি সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের আস্থা রয়েছে। নিজের জমি নিজের নয়, রাজনৈতিক নেতাদের গুটি সাজিয়ে সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের জমি কেড়ে নেবে বলে, বাসন্তী সরদার নামে এক রহস্যময়ী নারীর নামে রেকর্ড করানো হলো রাজনৈতিক নেতাদের কাগজ-কলম অনুযায়ী। কারোর পরিবারের কোন সদস্য থাকুক আর না থাকুক রাজনৈতিক নেতারা যে কোন কাউকে জোগাড় করে সেই পরিবারের সদস্য বানিয়ে দিতে পারেন। সবটাই হচ্ছে লোভ আর হিংসার পরিণতি হয়ে রাজনৈতিক নেতারা এসব করছে। নির্ভীক নিরপেক্ষ কাগজের সম্পাদক কে এইভাবে রাজনীতি করিয়ে ছাড়বে বলেই এইসব নেতারা উঠে পড়ে লেগেছে। কুড়ি বছর হাজার চেষ্টা করেও কোনভাবে কোন প্লোভনে পা দেওয়াতে পারিনি সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদার কে।
তবে রাজনৈতিক নেতা আর কিছু মানুষ ভাবছে এসব করে সম্পাদকের জব্দ করে সমস্ত সম্পত্তি কেড়ে নেব, আর ভয়ে রাজনীতিতে চলে আসবে। দীর্ঘ কুড়ি বছর সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদার লড়াই করে আসছে ভয়ে কোনদিন পিছুপা হয়নি হবেও না। তবে লেখক বুদ্ধিজীবী আমলা এদের কারো নিরাপত্তা নেই সেটা প্রমাণিত হলো এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে।এই হচ্ছে পশ্চিমবাংলার আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি। প্রশাসন সব কিছু জেনে যেন না জানার ভান করে বসে রয়েছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এ বিষয়েও জানোনা হয়েছে। অথচ মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে কোনদিন কোন সদ উত্তর আসে না। সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদার হাজার বেশি চিঠি পাঠিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি পেয়ে ও নির্বাক হয়ে আছেন। আর সে কারণেই দিনের আলোর মত পরিষ্কার সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদার কে কণ্ঠ রোধ করতে সর্বোচ্চভাবে প্রমাণিত হলো জমি কেড়ে নেওয়ার কৌশল। ও তৃণমূল চাইছে কণ্ঠ রোধ করুক সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় বাবু, তা না হলে সম্পর্কে জমি সময় সম্পত্তি জবর দখল করে নেবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ক্যানিং ২ নম্বর ব্লক হেদিয়া গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দিতে চাইছে। তবে রাজনৈতিক নেতাদের এ চেষ্টা ব্যর্থ হবে প্রশাসন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। সত্যমেব জয়ন্তের।



