লেখক ও সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের পরিচিতি

লেখক, সংবাদিক ,কবি ও রোজদিন, বিশ্ব বার্তা প্রেস, আত্মা শুদ্ধির সন্ধানে সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের জন্ম ১ই নভেম্বর ১৯৮৬ সালে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের আঠারোবাঁকি অঞ্চলের হেদিয়া গ্রামে। পিতা লালু সরদার , তিনি একজন কৃষি এবং মৎস্যজীবী কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সুন্দরবনে মাছ ধরতে যেতেন। মাতা গৃহবধূ, মাতার নাম বিভা সরদার, লেখক ঠাকুরদাদা নন্তু সরদার ও তাঁর পিতামহ সদানন্দ সরদার, সদানন্দের পিতা মনোহর রাজবংশের জন্ম ছিল, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার হোটরের রত্না গ্রামে। লেখক এর ঠাকুরদাদা স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন, সেই বংশের আর এক সন্তান, সম্পাদকের জ্যাঠামশাই দুঃখীরাম সরদার তিনি ছিলেন বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিকবিদ, তবে তিনি অকালে চলে গেলেন, সম্পত্তির কারণে ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগের রাত্রে, নিরুপায় ছিল লেখক নিজে তার প্রতিবাদী কন্ঠটাকে সে সময় বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল ক্রমাগত রাজনৈতিক চাপে, লেখক ও বুদ্ধিজীবী ও সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয়় সরদারের জ্যাাটা মশাই মৃত্যুর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেয়নি
লেখক ছোট থেকে প্রতিবাদী ছিলেন। লেখক ছোটবেলায় দুঃখে ভরা ছিল তার জীবন, ছোট থেকে রাজনীতির শিকার, শত লাঞ্ছনা, গঞ্চনা, অত্যাচার সহ্য করে কোন রকম উচ্চ শিক্ষায় নিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কর্মকর্তা আইপিএস অজয় রানাডের সহযোগিতায়। মাধ্যমিক দেওয়ার পরে তার স্কুলছুট হয়ে গেছিল, শত যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তিনি কলকাতায় চলে গেছিল মাধ্যমিক পড়ার সময়ে । সেখানে গিয়ে চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন, অনেক ধারাবাহিক ও চলচ্চিত্রতেই ছোটখাটো রোলে দেখা গেছে তাকে, আর সেই সঙ্গে করেছিল পড়াশোনা। কলকাতায় থাকতে থাকতে টালিগঞ্জ পাড়া থেকেই তিনি ডিরেকশনও শিখে নিয়েছেন, ডিরেক্টর দূর্গা ভট্টাচারিয়ার হাত ধরে। ক্যানিং এর সংকর বিশ্বাস চলচ্চিত্র ফাইটার জগতের একজন ফাইটার, তার কাছ দিয়ে ফাইট শিখেছিল ও সুশান্ত জোয়ারদারের নামে আর একজনের থেকে তিনি ফাইট রপ্ত করেছিল চলচ্চিত্র জগতের জন্য। বর্তমানে বহু শর্ট ফিল্মে অভিনয় ও পরিচালনা করেছে সম্পাদক নিজে। ২০১৩ সালে তার লেখা প্রথম একটি ইংলিশ গ্রামার রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে চলেছিল, স্টুডেন্ট ইংলিশ গ্রামার এন্ড কম্পোজিশন নামে। স্কুল লাইফ থেকে তিনি কবিতা ও ছোট গল্প সম্পাদনা করে, তবে আদিবাসীর প্রাণপুরুষ স্বপন সরদারের সহযোগিতায় লেখকের লেখার অনুপ্রেরণা জাগে, তার লেখা ছোট গল্প বহু চলচ্চিত্র জগতে শর্ট ফিল্ম ও তথ্যচিত্র হিসেবে দেখা গেছে। তিনি ছোট সংবাদপত্রে সম্পাদনা করেছে আত্মাসুদ্ধি, জোয়ার, দূরদৃষ্টি, এবং বিভিন্ন কবিতা সংকলনে। সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদার ২০০৪ সাল থেকে সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত রয়েছে! তার গবেষণায় সুন্দরবনের আদিবাসীকে নিয়ে , সেই সময় গবেষণাপত্র বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বেরিয়েছিল ২০০৯ সালে। ঈশ্বর আছে -না নেই ? সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় সরদার ঈশ্বরী কথা বইতে ঈশ্বর নিয়ে গবেষণা বা তার নিজের উপলব্ধির কথা ফুটিয়ে তুলেছে। তবে তিনি বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্রের সম্পাদনার কাজে যুক্ত ছিলেন, সেই সময় ঈশ্বর নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছিল তা বিভিন্ন ছোট ছোট লেখা ,বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তুলে ধরেছিলেন ঈশ্বর বিষয় নিয়ে। সেই থেকে তার গবেষণা শুরু দীর্ঘ পাঁচ বছর পরে ঈশ্বরী কথা রূপ দিলেন তিনি। তার তৃতীয় বই নতুনভাবে প্রকাশিত হয়েছে উজ্জ্বল সাহিত্য মন্দির থেকে, সুন্দরবন ও সুন্দরবনবাসী নামে। আদিবাসীদের গবেষণার কিছু তথ্য নিয়ে এই বই। লেখকের এটা চতুর্থ বই বইটির নাম সেদিন, লেখক পেশায় একজন সাংবাদিক তার সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে- গবেষণামূলক তথ্য এই বইটিতে প্রকাশ করেছে । এছাড়াও তার পঞ্চম বই প্রকাশ হয়েছে সৎ ভাবনা নাম নিয়ে। তার লেখা ষষ্ঠ বইটি বিবেকানন্দের বেলুড়। তার সপ্তমবই মাতৃশক্তি, অষ্টম বই আর্তনাদ। নবম বইটি প্রকাশিত হচ্ছে মনে পড়ে নামে।
তিনি বর্তমানে তিনটি দৈনিক সংবাদপত্রের মালিক ও সম্পাদক, নিউজ সারাদিন, আত্মাশুদ্ধি ,দা ইন্টারন্যাশনাল প্রেস, বাংলা ,হিন্দি ও ইংরেজি দৈনিক কাগজ। তবে লেখক বহু বাধা-বিপত্তির মধ্যেও তার বিবাহিত জীবন চলছে বিবাহিত জীবনের এক শিশুকন্যা পৃথিবীতে আলো দেখেছে নাম মিতাশ্রী। লেখক স্ত্রী উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত বাংলায় এমএ বিএড করা, ভগবতী সরদার নামে পরিচিতি। সম্পাদকের স্ত্রী নামে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তার লেখা বেরিয়েছে। তিনিও লেখালেখি জগতের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে। তবে লেখক স্বনামধন্য লেখিকা মহেশ্বেতা দেবীর ছাত্র ছিলেন, তার কাছ দিয়ে বই লেখার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন বিগত দিনে।মহেশ্বেতা দেবীর স্নেহধন্য কনিষ্ঠ সাংবাদিক হিসেবে তার ঘরে থাকার অনুমতি পেয়েছিলেন মৃত্যুঞ্জয় সরদার, সেই সুবাদে দেবীর সাথে ঘনিষ্ঠতা আরো বেড়েছিল। মহেশ্বেতা দেবী না থাকায় অনেকটা ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করেন লেখক। তবে লেখক সাংবাদিকতার জন্য তিন দিন জেলে হাজত বাস হয়েছিল। লেখক এর জীবন কাহিনী লিখলে হয়তো রামায়ণ মহাভারত হয়ে যেতে পারে।


