হোমিওপ্যাথি সুপার সায়েন্স
ডাঃ প্রকাশ মল্লিক, এম.ডি (হোমিও), সিনিয়র সুপার স্পেশালিস্ট হোমিওপ্যাথ আন্তর্জাতিক সভাপতি:

ডাঃ প্রকাশ মল্লিক, এম.ডি (হোমিও), সিনিয়র সুপার স্পেশালিস্ট হোমিওপ্যাথ আন্তর্জাতিক সভাপতি:
ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ্ হোমিওপ্যাথি
বর্তমান সময়ে অসুখ বেড়েছে। বেড়েছে আশ্চারে আলোয়নি কোট কারন হোমিওপ্যাদি। আলোপ্যাথি চিকিৎলা যখন শেষ হয় তখন অনেক হোমিওপ্যাথির আশ্রয় নেন। তাই প্রবাদ আছে যার নেই কোনোগতি সে করে হোমিওপ্যাথি।
আজকের যুগে হোমিওপ্যাথি ক্যানসার, হাঁপানি, যৌনরোগ, হহৃদরোগ এবং বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় সুফল পাওয়া যাচ্ছে। তাই হোমিওপ্যাথি সায়েন্স নয় সুপার সায়েন্স। অনেক সময়ে নানা ধারণার উপর নির্ভর করে হোমিওপ্যাথি মূল্যায়ণ করা হয়। আসলে মিটার দিয়ে যেমন লিটার মাপা যায় না তেমনি লিটার দিয়ে মিটার মাপা যায় না। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সম লক্ষণের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা করা হয়। অ্যালোপ্যাথিকে বিপরীত লক্ষণের চিকিৎসা করা হয়।
চরক সংহিতায় বলা হয়েছে এই পদ্ধতি রোগ উপশমের ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করে। কিন্তু রোগকে পুরোপুরি নির্মূল করতে পারে না। অ্যালোপ্যাথিতে ডায়াবেটিস থাকলে রোগীকে ‘অ্যান্টি হাইপোগ্লাইসেমিক এজেন্ট ওষুধ ব্যবহার করা হয়। হোমিওপ্যাথির ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস বাড়ায় সেই ওষুধ ব্যবহার করেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে। এটা হল বিষে বিষে বিষক্ষয়।
অনেকটা ভ্যাকসিনের মতোই। রোভার জীবানুকে ভ্যাকসিনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা হয়। এই ভাবে
রোগকে গোড়া থেকে নির্মূল করা যায়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে।
হোমিওপ্যাথি নিয়ে গবেষণা:
বর্তমান সায়েন্সস্টিসরামনে করেছেন ওষুধের বিভিন্ন সাপোর্টসগুলো বেশ সক্রিয় ও গভীর শরীরে যেসব সিগন্যাল গুলো আসে বা প্রতিক্রিয়া হয় সেই প্রতিক্রিয়া গুলোকে পরিবর্তিত করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। হোমিওপ্যাথি শরীরের মধ্যে বিসেপ্টরগুলোর (যার গায়ে সটকে থেকে ওষুষ কাজ করে) কাজ হল প্রোটিন সিস্থেসিস করা। এই প্রক্রিয়ার কোনো গন্ডগোল হলে শরীরে নানা মানুষের বিপত্তি ঘটে। এই ভুল সিম্বেসিনকে পাল্টে পুরোপুরি নতুন ভাবে শরীরকে চালনা করাতে পারে হোমিওপ্যাথি ওষুধ। তাই হোমিওপ্যাথি গুঢ় কেমিক্যালের সঙ্গে শরীরের সিগন্যাল পরিবর্তেেনর অন্যতম পাথেয়, যা শরীরের
গুতন স্থানে পৌঁছে অসুখকে একেবারে নির্মূল করে। আধুনিক বিজ্ঞানের সঙ্গে হোমিওপ্যাথির কার্যকারীতা চিকিৎসা পদ্ধতির একটা গভীর সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। অপর দিকে কয়েক বছর আগে ডাঃ বলরাম জানা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা করে দেখিয়েছেন যে হোমিওপ্যাথি ওষুষ জিনের মিউটেশন করতে পারে। তিনি পি-এইচ-ডি করেছিলেন। এখনও নানা গবেষণা চলছে হাজার প্রাণীর শরীরে পরীক্ষা করে ইতিবাচক ফল নিলেছে। তাই হোমিওপ্যাথি শুধু সায়েন্সই নয় এটি সুপার সায়েন্স।


