আপনিও সাংবাদিক

ঢালাই রাস্তা অামফান দুর্যোগের পর থেকেই ফেটে চৌচির হয়ে চলাচলের অনুপযুক্ত

দেশপ্রাণ ব্লকের সরদা অঞ্চলে র অযোধ্যাপুর হরিজন পল্লী তে শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রে যাতায়াতের ঢালাই রাস্তা অামফান দুর্যোগের পর থেকেই ফেটে চৌচির হয়ে চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে অাছে। প্রায় ২ শতাধিক তপশিলি পরিবারের বাস এই হরিজন পল্লী তে।

সাধারণ হতদরিদ্র ও গৃহহীন তপশিলি জাতি ভূক্ত পরিবারের লোকজনের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তার এই ভগ্নদশা। তাছাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্রে পড়ুয়াদের যাওয়ার ও একমাত্র পথ এটি। অপ্রশস্ত ঢালাই রাস্তার দুপাশে কোন গার্ডওয়াল না থাকায় রাস্তা দিনের পর দিন জলজমি ও পুকুরে ক্ষয়ে যায় অনবরত।

তার উপর রাস্তার ঢালাই র ফুটিফাটা অবস্থা। প্রশাসন বা পঞ্চায়েত রাস্তা মেরামতী নিয়ে নির্বিকার। অবিলম্বে অযোধ্যাপুর হরিজন পল্লী তে ভগ্নপ্রায় রাস্তা র মেরামতীর দাবী তে দেশপ্রাণ ব্লকের বিডিও মনোজ মল্লিক কে স্মারকলিপি প্রদান করেন সিপিঅাইএম নেতা তথা প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন।

সিপিঅাইএম নেতা মামুদ হোসেন বলেন রাজ্যের শাসকদল তপশিলি পাড়ায় সংলাপ কর্মসূচী র নাটক করে চলেছেন। অথচ দেশপ্রাণ ব্লকের অযোধ্যাপুর ও মৈশামুণ্ডা হরিজন পল্লী র হতদরিদ্র বাসিন্দাদের গৃহনির্মাণ,রাস্তা মেরামতী, কর্মসংস্থান ইত্যাদি নিয়ে রাজ্যসরকার ও শাসকদলের কোন হেলদোল নেই।

হরিজন পল্লী র লোকজন পরিজান,পাল্কী,বাজনা বাজানো, মাছের ব্যবসা ইত্যাদি পেশার সাথে যুক্ত। করোনা লকডাউন জনিত কারণে উৎসব-অানন্দে ভাটা পড়ায় এই পাড়ার লোকেরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।অবিলম্বে হরিজনদের অর্থনৈতিক দুরবস্থা নিরসনের দাবী জানিয়েছেন সিপিঅাইএম নেতা মামুদ হোসেন।

Related Articles

Back to top button