বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ
এগরা থানার বাসুদেবপুর গ্রামে এক মুখ বধির মেয়েকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে তাকে অন্তঃসত্ত্বা করার দায়ে এবং পরে ওই যুবক মুখ বোধির মেয়েকে বিয়ে করতে অস্বীকার করায় মেয়ের বাড়ির অভিযোগের মূলে এগরা থানার পুলিশ ওই গ্রামেরই যুবক চৈতন্য গুছাইত কে গ্রেপ্তার করে।
ওই মুখ বোধির মেয়েটির মামা মাখন গুছাইত জানান আমার দিদি আরতি গুছাইত বিয়ের পর থেকে তার দুটি মেয়েকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে থাকতো।আমার দুই ভাগ্নি যখন ছোট ছিল সেই সময় তার বাবা সন্তোষ গুছাইত দিদি ও তার দুই মেয়েকে রেখে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।আজ পর্যন্ত কোনো খবর নেই।তাই দিদি আমাদের বাড়িতে থাকতো আর গ্রামে লোকের বাড়ি বাড়ি কাজ করতো।কিন্তু বড় মেয়েটি মুখ বোধির কানেও শুনতে পায় না।বয়স 21 বছর।কিন্তু দিদির ছোট মেয়েকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে।তাই বড় ভাগ্নি আমাদের বাড়িতে থাকতো তার মায়ের সাথে।হটাৎ দিন সাতেক ধরে ভাগ্নি চুপচাপ বসে থাকছে মনমরা হয়ে।তার মামীরা জিগ্যেস করলে কিছু বলতে চাইছে না।
তার মামীরা তাকে আকার ইঙ্গিতে বিয়ে দিয়ে দেবে বলতেই ভাগ্নি কান্না কাটি করে আকার ইঙ্গিতে সব কথা বলে তার মামীদের যে পাশের বাড়ির ছেলে চৈতন্য গুছাইত তাকে বিয়ে করবে বলে প্রতিদিন রাতে তার সাথে সহবাস করেছে এবং সে অন্তঃসত্ত্বা।আমরা ডাক্তাররের কাছে নিয়ে যাই ভাগ্নিকে।ডাক্তার টিপোর্ট পজেটিভ দেন।এই কথা বলাতে ভাগ্নিকে নিয়ে গ্রামের লোকজনদের সাথে কথা বলা হয়।এবং ওই যুবক চৈতন্য গুছাইত কে জিজ্ঞাসা করলে সে অস্বীকার করে।তার পরেই এগরা থানায় অভিযোগ হয় আজ।আর আজই এগরা থানার পুলিশ অভিযোগের মূলে চৈতন্য গুছাইত কে গ্রেপ্তার করে।



