আন্তর্জাতিক

বাংলার সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদার আন্তর্জাতিক ভাবে যোগসুত্র গড়ে তুলল

জীবনে চলার পথে বহু  বাধা অতিক্রম করে, যে মানুষটি আজও নিজের সম্মান টুকু হারায়নি তাকে নিয়ে লেখা।  আজকের দিনের  সাংবাদিকদের দ্বিধাগ্রস্ত করাটা  উচিত নয়।আলো ফুরালে অন্ধকার যেমন শুরু হয়, অন্ধকার এসেছে কিন্তু আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে এই জগত।পাওয়ার যোগ্য সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদার।সাংবাদিক জীবনের ইতিহাস তুলে ধরা বাংলার অনেকেই খারাপ চোখে দেখতে পারে কিন্তু আজকের দিনে লেখার শুরুতেই সব কথা যেন খুলে বলতে ইচ্ছা করছে। আর এ নিয়ে আজকেরে দিনে আমার লেখার বিষয়বস্তু।ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দিয়েছিল মানুষ ভেবেছিল সবাই নিরাপত্তায় থাকবে।অথচ সেই বাংলায় বসবাস করে সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের সপরিবারে, তারা আজও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে কেন ?এ প্রশ্নের উত্তর জবাব দিতে পারে না,   শাসকশ্রেণীর ক্ষমতালোভী মানুষগুলো! মানুষ অসহায় ও অনাথের উপরে অবিচার অনাচার অত্যাচার হলেও বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কোন হেলদোল নেই আজও।ক্ষমতায় টিকে থাকতে হবে এটাই তার মূল  মন্ত্র।এককভাবে জিতে এই স্বার্থন্বেষী মুকুল রায়ের কথা শুনে সিপিএম দল থেকে ভাঙ্গিয়ে নেতা গুলোকে তৃণমূল এনেছিল,এর ফলে ভেবেছিল বাংলায় আরো ক্ষমতাশালী হয়ে উঠবে কিন্তু তাতে মনে হয় আজ তিনি ব্যর্থ।যেসব জনগণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখের দিকে তাকিয়ে ভোট দিয়েছিলেন, তাদের উপর অত্যাচার আজও অব্যাহত।

যে সাংবাদিক গ্রামের  অত্যাচার-অবিচার সহ্য করে দিদির জন্য কলম ধরেছিল, সেই সাংবাদিক  মৃত্যুঞ্জয় সরদারের পরিবার আজও তারা কেন এই এলাকায় অবহেলিত। সাংবাদিক সপরিবারে অত্যাচার অবিচার অনাচার সহ্য করতে করতে আজ তার পরিবারের সবাই ক্লান্ত, তার পিতা খুবই অসুস্থ, মাতা ও অসুস্থ ,অথচ তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা রয়েছে।অবৈধ বিদ্যুতের  বিলের মাশুল তাদের কাজ দিয়ে আদায় করা হচ্ছে জোরপূর্বক ভাবে ।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে লিখিত জানিও তার শুরু আজও মেলেনি।সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদার দীর্ঘকালীন অসুস্থ, অসুস্থতার মধ্যেও তিনি কলম ধরে আজ ও লিখে যাচ্ছে সমাজ সংস্কারের জন্য। এই অসহায় সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলার বিখ্যাত ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাউল স্বপন দত্ত মহাশয়।স্বপন দত্ত কথায় স্পষ্ট এর তার কলম এর কিছু তথ্য আমি আজ এই লেখার মধ্যে প্রকাশ করতে চাই।
বাইরের চেহারা টা দেখে যেমন শিল্পীকে চেনা যায় না প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গানের কথায়। ঠিক তেমনি একজন মানুষকে ও একজন সাংবাদিক কেও বাইরের চেহারায় তাকে চেনা যায় না ।। বাইরের চেহারার মাঝেও ভিতরে তার বুকে কত জ্বালা সেটা জানতে গেলে, বুঝতে গেলে, খুব সতর্ক ভাবে নিজের সুবুদ্ধি কে কাজে লাগিয়ে মানুষের সঙ্গে গভীর ভাবে না মিশলে কখনোই তার ভিতরের চেহারার স্বরূপ ধরা পড়বে না। আমি আপনাদের স্বপন দত্ত বাউল আমার আরও একটা পরিচয় আমিও একজন সাংবাদিক । আমি একজন সাংবাদিক ও শিল্পী রূপে এমন ই একজন মানুষের সাথে আজ মুখোমুখি হয়েছি যিনি একজন সৎ নিষ্ঠাবান নির্ভিক সাংবাদিক নাম মৃত্যুঞ্জয় সরদার ।।

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের হেদিয়া গ্রামের মানুষ মৃত্যুঞ্জয় বাবু । তার ছেলেবেলা খুব দুক্ষ কষ্টের রঙে মাখা । দারিদ্রতা ছেলেবেলা থেকে আজও পর্যন্ত পিছু ছাড়ে নি । নিত্য অভাব অনটনের মাঝে খুব কষ্টের মধ্যে জীবন সংসার চালিয়েও তিনি শত বাধা এলেও কখনো লেখা লেখি থেকে লক্ষ্য ভ্রষ্ট হন নি ।। কিশোর যৌবনে তার বিবেক চেতন মন সবসময়ই প্রতিবাদী হয়ে উঠে ধরেছে কলম । মৃত্যুঞ্জয় এর কথায় বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠ রা রাজনীতির জালে জড়িয়ে ছিলেন । রাজনীতি তে বড় নোকরামি , হানাহানি আর খাওয়া খায়ী , কে কত আত্মসাৎ করতে পারে কে কত মেরে মুড়ে লুটে পুটে গুছিয়ে নিতে পারে তার কম্পিটিসেন চলে । এই সমাজে এই নোকরা রাজনীতির খেলার প্রতিযোগিতার আঙিনায় তার পরিবারের লোকজনের সাথে একশ্রেণীর অসৎ মানুষ তাদের সংসারে নানাভাবে আঘাতের পর আঘাত হেনেছে ।তাই ছোট থেকেই সমাজের কাছে নানাভাবে দুক্ষ কষ্ট লাঞ্ছনা গঞ্জনা পেতে হয়েছে এমনকি বিনা দোষে তাকে জেল ও খাটতে হয়েছে সমাজের দুষ্ট চক্রের ফাঁদে তাকে মিথ্যা করে কষ্ট দিয়েছে অসৎ অমানুষের দল ।। এক সময় নুন আনতে যার পান্তা ফুরাত সেই মৃত্যুঞ্জয় অনেক কষ্টে কলকাতায় লেখাপড়া করেন এক সহৃদয় ব্যাক্তির সাহায্য পেয়ে, এছাড়া তিনি কম্পিউটার ইনফরমেশন টেকনোলজি ডিপ্লোমা কোর্স করেছেন । শিক্ষিত বেকার হয়েও ভাগ্যে জোটে নি কোনো কর্মযোগে চাকরি, তাই লেখালেখি কেই কর্মযোগে বেছে নিয়ে বহুদিন আগেই ধরেছিলেন প্রতিবাদী কলম হাতে ।। ছোট থেকেই বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ফ্রীলান্স এ লিখতেন নানা খবর ।সকলেই ছাপ তেন কিন্তূ কিছুই অর্থ উপায় হত না । হটাৎ একদিন বাসন্তী হাই এর উপরে আমঝাড়াতে পুলিশ কে পিষে দিলো একটা লরি বাঘের চামড়া নিয়ে পালিয়ে যাবার সময় ।সেই খবর তৈরি করে মৃত্যুঞ্জয় বাবু অনেক পেপার কে লিখে জানায় তার পর দিনই পেপারের হেডলাইন মৃত্যুঞ্জয় সরদার এর লেখা খবর তার সাংবাদিক জীবনের দরজা খুলে দিলো । মৃত্যুঞ্জয় বাবু বলেন আমাকে সাংবাদিক রূপে চেনানো মানুষের মাঝে এ যেন বন বিবি দেবীর আশির্বাদ । তার পর থেকে পয়সা পেলেও বা কি নাপেলেও শুধু লিখে চলেছেন কখনো খবর ভিত্তিক , আর্টিকেল , সম্পাদকীয় কলমে আমার প্রতিবাদী ভাষার অলংকারের ঝংকারে কলম ধরে নানা বিষয়ে আর্থিক লিপি , দুরন্ত বার্তা , সকাল সকাল ও বহু নামি দামি পত্রিকায় কখনো নিজের নামে আবার সংবাদ দাতা হয়ে ।।

সাংবাদিক হিসাবে তিনি একজন সমাজ সচেতনের নিষ্ঠাবান সৎ ব্যাক্তি । সমাজের নানা অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী লেখা লিখে সবসময়ই তাকে জীবনে বেঁচে থাকতে হয় তার চলার পথে স্বার্থে ঘা লাগা মানুষেরা হুমকি দেয়, কেউ আবার প্রাণ নাশের হুমকি দেয় । তবু লেখা থেকে তিনি সরে যান নাই।।ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট এন্ড অল এডিটর্স এসোসিয়েশনের জাতীয় সম্পাদক ও নিউজ সারাদিন পোর্টালের এর সম্পাদক হয়ে সাংবাদিক জীবনে সব সময় মৃত্যুঞ্জয় সরদার সৎ ভাবে কাজ করার প্রতিজ্ঞা করে সমাজ সচেতনের ভূমিকা নিয়ে চলেছেন। সাংসারিক জীবনে স্ত্রী ও কন্যা এবং বৃদ্ধা পিতা মাতা ও ভাই ও ভাইয়ের সংসার নিয়ে যৌথভাবেই অতি কষ্টে জীবন যাপন করেন । ঘর বাড়ির অবস্থা ভগ্নদশা তবু সরকারি আবাস যোগনায় তিনি আজও নতুন বাড়ি তৈরির সুযোগ পান নাই। অভাব অনটনের মাঝেও তার শারীরিক অসুস্থতা তাকে বড় কষ্ট দেয় । মৃত্যুঞ্জয় বলেন ভাতের জোগাড় করব না ওষুধের জোগাড় করব। আমি অসুস্থ ,আমার বৃদ্ধা পিতা মাতা অসুস্থ সকলের চিকিৎসা ওষুধ জোগাড় করতেই হিম সিম খেতে হয় । এই ভাবেই চলছে একজন লড়াকু প্রতিবাদী সাংবাদিক এর জীবন । সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদার আর এক অন্য রূপে তার নিজস্ব প্রতিভায় তিনি চলচিত্রের জগতে অনেক আগে থেকেই টুকি টাকি ছোট খাটো অভিনয় করেছেন ।অনেক ধারাবাহিক এ ছোট ছোট চরিত্রে যেমন সোনার হরিণ, ইন্দুবালা, তে অভিনয় করেছেন এছাড়া তিনি বলেন সিনেমা জগতে বারুদ, রামলক্ষন ,প্রেমী, রাস্তার মতন ছবিতে ডেমি কাজ করেছিলেন, এছাড়া সিনেমা জগতে ফাইটিং শেখা, অভিনয় ও ডিরেকশন এর কাজ শেখা তার খুব প্রিয় ছিলো । টালিগঞ্জের স্টুডিও পাড়ায় ঘুড়ে ঘুড়ে অনেক কিছুই শেখেন ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন । এই শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা কে পাথেয় করে বর্তমানে তিনি তথ্যচিত্র তৈরি করতে ডিরেকশন দিয়ে কাজ শুরু করেছেন । শীগ্রই সুন্দরবনের মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে তার তথ্যচিত্র মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এবং মৃত্যুঞ্জয় সরদার একজন তথ্যচিত্র নির্মাতা বলে মানুষের মনের ঘরে স্থান পাবে বলে তিনি আশা বাদী। সাংবাদিক ও তথ্যচিত্রর পরিচালক মৃত্যুঞ্জয় সরদার কে তার কলমের খোঁচায় সংবাদপত্রে লেখালেখি তে যতই প্রতিবাদী মনে হোক না কেনো আসলে সাদা মাঠা এই মানুষটি একেবারে মাটির মানুষ। তার সঙ্গে একান্ত ভাবে মিশে তার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করলে তার ঘরবাড়ি , আর্থিক অভাব অনটন , শাররীক কষ্ট দেখলে বলতেই হবে বাইরের চেহারাটা দেখে সাংবাদিক ও তথ্যচিত্র নির্মাতা মৃত্যুঞ্জয় সরদার কে চেনা যায় না। তার বুকে ভিতরের জ্বালা কত কষ্ট বোঝা যায় না।। মুখো মুখী কথোপকথনে এবং তার বাড়িতে ও তার সংসারের সকলের সঙ্গে কয়েকদিন কাটিয়ে আমি মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রসংশিত ও আশির্বাদ ধন্য, মহামান্য রাজ্যপাল এবংমাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসিত ও পুরস্কার প্রাপ্ত স্বপন দত্ত বাউল মৃত্যুঞ্জয় সরদারের সৎ ও নিষ্ঠা ,সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিবাদ, ও সমাজ সচেতনের জন্য কলম ধরতে দেখে একটা কথাই বলি প্রতিবাদী মানুষের জন্য যাদের স্বার্থে ঘা লাগবে তারাই সবসময় প্রতিবাদী সৎ মানুষের কর্মকান্ড তে পিছু লাগবে নিন্দা করবে ।। তবে যতই পিছু লাগুক না কেন সত্যের জয় হবেই । সেই আদি অনাদি কাল থেকেই মিথ্যার পরাজয় সবসময় হয়ে আসছে সত্য জয়ী হয়েছে।।বাংলায় সত্যের জয় পাওয়াটা অনেকটা ভয়ংকর তবুও মৃত্যুঞ্জয় আজও সৎপথে পরিচালিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাউল স্বপন দত্তের কোথায় খুবই স্পষ্ট সাংবাদিকতার নিষ্ঠাবান ও ত্যাগী তবে কেনইবা আজকের বাংলায় এত অত্যাচার কেন বা তার পরিবারের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ,এর উত্তর কিন্তু রাজ্য শাসকদলের কোন নেতার কাছ থেকে সঠিক ভাবে পাওয়া গেল না। অনেক নেতা মন্ত্রী সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদারকে সেই ভাবে জানেন না চেনেন না। অথচ বিশ্বের দরবারে তিনি আজকেরে একজন লেখক ও সাংবাদিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।বিদেশের বিভিন্ন বাঙালি পত্রপত্রিকা হিন্দি ও ইংরেজি কাগজে তিনি লিখে চলেছেন তার ধারাবাহিক কলম।বিদেশের মানুষ বাংলারই প্রত্যন্ত গ্রামের ছেলে মৃত্যুঞ্জয় সরদারকে এককথায় চেনে এবং তার নামের সঙ্গে পরিচিতি আছে।অথচ বাংলার নেতা মন্ত্রী এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়তো মৃত্যুঞ্জয় সম্পর্কে আজ তার অজানা মনে হচ্ছে।যদি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী  সততার সাথে কাজ করে চলেছে বলে আমরা অনেকেই জানি,তাহলে হলে কেন সাংবাদিকতার সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের অবহেলায় অবহেলিত করে রাখা হয়েছে কেনো? সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সর্দারের পরিবারের সমস্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে রাজনৈতিক নেতারা! তার কারণ কিন্তু আজ স্পষ্ট নয়। তবে সবচেয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী চুপ কেন? কেনইবা বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামের সাংবাদিক আজ বিশ্বদরবারে পাড়ি দিয়েছে তার লেখা বিশ্বের সর্বোচ্চ প্রকাশ হয়! অথচ তাদেরকে বঞ্চিত অবহেলিত ও অত্যাচারিত এবং খুন করার পরিকল্পনা কেনইবা হচ্ছে। কেনই বা সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদার দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কেনই বা এই পরিবারের অসহায় অবস্থায় দিন পোহাতে হচ্ছে। সাংবাদিকদের অবহেলায় অবহেলিত জীবন, দুঃখ কষ্টের জীবন, এটা বাংলার বুকে মেনে নেওয়াটা অসম্ভব।মাথাগোঁজার ঘরটা দীর্ঘ দিনের , যে কোনো মুহুর্তে বিপদগ্রস্ত হতে পারে সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয়  পরিবার অথচ সরকারি আবাস যোজনার কোন ঘর তারা কেন বা জুটলো না।

পরিবারের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পেল না। এই নোংরামীর ফল আগামী বিধানসভা  ভোটের প্রভাব পড়বে, তেমনি ইঙ্গিতটি বাংলা রাজনীতিতে স্পষ্ট।যত সব নোংরা  নীতিগত হীন লোকেদের নেতা সাজিয়েছে, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সে ভুলের কি আছে টের পেয়েছে। সেই কারণে সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক পরিবারের উপরে আজ অবহেলায় অবহেলিত অত্যাচারিত বঞ্চিত এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না এই সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় সরদারের পরিবার। মৃত্যুঞ্জয় সরদার  পরিবারের মতো নিরীহ ফ্যামিলি এই গ্রামে নেই আর কেউ নেই।তাই দীর্ঘ বছর ধরে মৃত্যুঞ্জয়ের পূর্বপুরুষ ও মৃত্যুঞ্জয় এর উপরে আজও অত্যাচার অব্যাহত রয়েছে।মৃত্যুঞ্জয় সরদারের সপরিবারে জীবন-জীবিকা করত একটি মৎস্য চাষের ভেরির উপরে মাছ চাষ করে।সেই ভেরি টা জবর দখল করে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সমাজবিরোধীরা ।এই এলাকার সমস্ত ভেড়ির মালিক নদী থেকে নোনাজল ঢুকিয়ে মাছ চাষ করে, অথচ দীর্ঘবছর এই পরিবারের ভেড়িতে নোনা ঢুকিতে দেওয়া হয় না। জল নিকাশি রাস্তার জবর দখল করে নিয়েছে। মাছ চাষ করে তার জীবন জীবিকা নির্বাহ করাটা বড় দায় হয়ে গেছে।তাই পল্টি ফার্ম করে কোন রকম তাদের জীবন-জীবিকা রুটি রোজগার জোগাড় করছে, অসহায় অবস্থার মধ্যে।এই এলাকায় যেকোনোভাবে মৃত্যুঞ্জয় সরদারকে সুকৌশলে মেরে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সমাজবিরোধীরা।পুলিশ প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলে মৃত্যুঞ্জয় সরদারকে এককথায় চেনার পরেও ,তার ওপরে অত্যাচার আজও অব্যাহত।কোন এক শক্তির কাছে পুলিশ যেন নিরুপায় হয়ে মৃত্যুঞ্জয় কে মন খুলে সাহায্য করতে পারে না।মৃত্যুঞ্জয় সরকারের সঙ্গে কথা বলে তার সমন্দে যতোটুকু জানতে পেরেছি, আজ আমাদের মাধ্যমে সমাজের কাছে জানাতে চায় তার লেখার তথ্য দিয়ে।

মৃত্যুঞ্জয়  সরদার ছোট থেকে বড় হয়েছিলাম এক রাজনৈতিক পরিবারের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এর বাড়ি থেকে।  মৃত্যুঞ্জয় জ্যাঠামশাই দুখিরাম সরদার কমিউনিস্টের নেতা ছিলেন। কংগ্রেস সরকার সঙ্গে লড়াই করে হারিয়ে দিয়েছিলেন,ক্যানিং দু’নম্বর ব্লকের কংগ্রেসের প্রতিনিধি কে,এই লড়াইয়ে সর্বদায় ছায়া সঙ্গিনী হয়ে সঙ্গে ছিলেন মৃত্যুঞ্জয়ের  পিতা লালু সরদার।এনাদের অনেক সাঙ্গোপাঙ্গ ছিল, ছোটবেলায় মৃত্যুঞ্জয় দেখেছেন তার বাড়িতে বিশিষ্ট বিশিষ্ট নেতাদের আনাগোনা ছিল ,পশ্চিমবাংলায় যারা দীর্ঘদিন রাজত্ব করেছে  সেই বাম সরকারের নেতৃত্বে বড় বড় নেতারা মৃত্যুঞ্জয় সরদারের বাড়িতে আনাগোনা ছিল। মৃত্যুঞ্জয় সরদারের সপরিবারে বাংলার ভূমিপুত্র।মৃত্যুঞ্জয় সরদার এর জন্মের আগে থেকে তার পরিবার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। আজ তার পরিবার কোনভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়। ১৯৮৬ সালে ২ অক্টোবর মৃত্যুঞ্জয় সরদারের জন্ম হয় ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের হেদিয়া গ্রামে।

মৃত্যুঞ্জয় সরদার ছোটবেলায় সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মানো করার মতন পরিস্থিতিতে জন্ম নিয়েছিল।কিন্তু রাজনৈতিক অত্যাচারে এমন ভাবে সে পরিবারকে শেষ করে দিয়েছে, আজ তারা অসহায় ও অনাহারে দীর্ঘদিন ও জীবনযাপন করেছে । তবে সেকথা গ্রাম গঞ্জের লোকে বিশ্বাস হয়না।কেন এই পরিবার তো অনাহারে থাকে আর পরিবার ছিল না। কিসের কারণে এতই বা তাদের উপরে অত্যাচার অবিচার অনাচার চলছে।মৃত্যুঞ্জয় সরদার ছোটবেলা থেকে দেখেছে, তার পরিবারকে শেষ করে দিচ্ছে সিপিএমের লোকজনরা। যে দলের জন্য মৃত্যুঞ্জয়ের বাবা ও জ্যাঠামশাই এত কিছু করল ,সেই দলের লোকেরা মৃত্যুঞ্জয়ের পরিবারের উপর অত্যাচার করল। মৃত্যুঞ্জয়ের সরদার এর জীবনের অভিজ্ঞতা জেনে নিন। তিনি নিজে যা দেখতে দেখতে বড় হয়েছে, এ কথাগুলো তার লেখার তথ্য থেকে বেরিয়ে আসছে। আমার বাবা , জ্যাঠা, আর মায়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিল পার্টির লোকজন । তখন আমি চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র। বাবা ও জেলে জ্যাঠামশাই ও জেলে, আমাদের পাশে কেউ নেই, আমি বাড়ির বড় ছেলে। আমার মা-বাবা কোনদিন থানার মুখ দেখেনি, কোন কিছুই জানতো না সেভাবে আমার যেটা রাজনীতিবিদ ছিল তিনি সমস্ত কিছু পরিচালনা করতেন। জ্যাঠা মশাই ও বাবার জেলে থাকাকালীন আমি প্রচণ্ড ভেঙে পড়েছিলাম, কিভাবে জ্যাঠা ও বাবাকে ছাড়াবো সেই থেকে শুরু হয়ে যায় আমার জীবনের পথ চলা।চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ি সেই সময় আমার মাকে সঙ্গে নিয়ে, আর পাড়ার একজনকে নিয়ে আমি আলিপুর কোটে হাজির হলাম। বাবা ও জ্যাঠা মশাইকে জামিনে মুক্তি করানোর জন্য। সেই থেকে শুরু হলো কোডের বিষয় জানা। এরপর দেখেছি একটার পর একটা অত্যাচার শুরু করল রাজনৈতিক নেতারা। আমি বাবা-মাকে এবং জ্যাঠামশাই কে জামিনে মুক্ত করেছি বলে, আমাকে সহ্য করতে পারলো না রাজনৈতিক নেতারা।ছোট থেকে আমার বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করল লোকাল রাজনৈতিক নেতারা যারা সিপিএম করতো সেই সময়ে। বহু দুঃখ কষ্টের মধ্যে কোনরকমে আমি মাধ্যমিক পরীক্ষা দিলাম।রাজনৈতিক পরিস্থিতি এতটা খারাপ এত অত্যাচার বাড়িতে থাকার মত পরিস্থিতি ছিলো না, পড়াশোনা বন্ধ করে কলকাতায় চলে আসতে বাধ্য হতে হয়েছিল। সেই সময় আমার দিদির বিয়ে হয়ে যায়। আমরা তিন ভাইবোন , আমার জ্যাঠা মশাই এর কোন ছেলে ছিল না কেউ ছিলনা। আমার জ্যাঠা মশাই আমাকেই মানুষ করেছিল, এসব কথা যাক আসল কথায় ফিরে আসি। আমার জীবনের ইতিহাস, সেই থেকে শুরু হয় আমার জীবনের চাওয়া-পাওয়ার কিছু বিষয়। আমি খুব হতাশ ভেঙে পড়েছিলাম কি করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। সেই সময়ে আমি কম্পিউটার ইনফরমেশন টেকনোলজি ডিপ্লোমা কোর্স করি। এই কোর্স করতে করতে শংকর বিশ্বাস সিনেমা ফাইটার গ্রুপে ছিলেন তার সাথে আলাপ হয়ে যায়। তারার সাথে যোগাযোগ রাখতে রাখতে আমি সিনেমা জগতের ফাইট শিখে ফেলি, শংকর ছিলেন আমার সিনেমা জগতের প্রথম গুরু।সংকর বিশ্বাসের হাত ধরে আমি টালিগঞ্জ পাড়ায় বিভিন্ন স্টুডিও ঘুরে বেড়ায় সেই সালটি ছিল ২০০১ সাল। কম্পিউটারের ডিপ্লোমা কোর্স শেষ আর সিনেমা জগতে প্রবেশ শুরু হল আমার জীবনে।

আমি অনেক ধারাবাহিক এতে ছোট ছোট ক্যারেক্টারের অভিনয় করেছি, সোনার হরিণ, ইন্দুবালা। ও সিনেমা জগতে বারুদ রাম লক্ষণ, প্রেমী ,রাস্তার মতন বইতে আমি ডেমি কাজ করেছিলাম।অভিনয় আর ডিরেকশন শেখা শুরু করি দূর্গা ভট্টাচার্য্য কাজ থেকে, অভিনেত্রী মাধুরী চ্যাটার্জির স্বামী অনেকের চেনা দুর্গা ভট্টাচার্য। তিনি বিদেশি অস্কারপ্রাপ্ত ডিরেক্টরের । প্রতারক বলে একটি সিনেমার আমাকে মূল চরিত্র দেওয়ার বিষয়ে কথা হচ্ছিল,এই জগতের বহুৎ দালাল আছে, আমি তো সহজ সরল গ্রামের ছেলে ছিলাম ,যে যা বলতো সেটাই বিশ্বাস করে ফেলতাম।অভিনয় তো আর করা হলোনা টালিগঞ্জ পাড়ায় স্কুল সার্টিফিকেট সহ টাকা-পয়সা সব কিছু ছেড়ে বিপদগ্রস্থ অবস্থায় খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হয়েছিল। হরিদেবপুর পুলিশ ফাঁড়ি আমাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করিয়ে বাড়ি ফিরিয়েছিলেন।পুলিশ বলে দিয়েছিল কোনদিন যদি বেঁচে থাকিস আর তালিগঞ্জ পাড়ায় আসবি না, জদি আসিস তাহলে তুই খুন হয়ে যেতে পারিস। সে সময় ও আমি লিখতে পারতাম আমার প্রচুর ছোট গল্প নিয়ে বিভিন্ন শর্ট ফিল্ম হয়েছিল, আর সেখান থেকেও আমার নাম লেখক হিসেবে পরিচিত হতে চেয়েছিলাম সে নিয়ে যতসব দুর্ঘটনা ঘটে যায়। জীবনে চলে আসে আমার হতাশায় বাড়ি ফিরে আসি কলকাতা ছেড়ে, কি করবো ভেবে উঠতে পারছি না। বিভিন্ন সাংবাদিকদের কাছে বছরের-পর-বছর ঘুরেছি আমার কথা যেন, কেউ এক কলম কাগজে লেখে কিন্তু কেউ আমার জন্য একটা শব্দ খরচা করল না লেখা তো দূরের কথা। আমি তখন খুব হতাশ, কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না কি করলে ভালো হয়।আমার জ্যাঠা মশাই এর এক বন্ধু এগ্রিকালচার ডিপার্টমেন্ট এ চাকরি করতেন স্বপন সরদার বলে একজন। তিনি আমার সমস্ত ঘটনাটা জানেন, তিনি আমাকে একটি সরকারি লাইসেন্স পাইয়ে দিয়েছিল রাসায়নিক সার বিক্রেতার  দোকানের জন্য, কিন্তু সেই ব্যবসা আমি করতে পারলাম না টাকার অভাবে।

আমি তখনও কবিতা এবং গল্প লিখি,লিখে লিখে ওনাকে দেখাতাম উনি আমার লেখাগুলো এডিট করে সুন্দর থেকে সুন্দরতর করে দিতেন। লেখার জীবনের প্রথম ওখানে আমার শুরু হয়, আরো বেশি করে কলম ধরা। বহুরাত স্বপন কাকার বাড়ি সোনারপুরে কাটিয়েছি শুধু লেখার জন্য।হঠাৎ একদিন বাসন্তী হাই এর উপরে আমঝারাতে পুলিশ কে পিসে দিল লরি বাঘের চামড়া নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময়।এ খবরটা আমি সমস্ত খবরের কাগজে লিখে জানালাম পরে দেখলাম সমস্ত কাগজে বড় বড় করে প্রথম পাতায় লেখা টি বেরিয়েছে। সেই থেকে শুরু হল আমার সাংবাদিকতা।স্বপন কাকার মাধ্যমে গালিব ইসলাম ভদ্রলোকের কাছে হাজির হলাম থেকে কালান্তরে লিখতেন বলেছিলেন, সুযোগ করিয়ে দেব কিন্তু করে উঠতে পারেননি।এরপরে কুতুব উদ্দিন শেখ ঘুটিয়া শরিফের ছেলে খুব ভদ্র আমার সঙ্গে আজও তার সম্পর্ক রয়েছে ,সে আমাকে আসার সুপ্রভাত বলে একটি কাগজে লেখার সুযোগ করিয়ে দেয়। এখান থেকে শুরু হয়ে যায় আমার জীবনের সাংবাদিকতার পথ চলা।এরপর সিপিআই পার্টির বিশ্বজিৎ মাইতি নামে একটি ছেলে খুব ভদ্র এবং নম্র ,আজও আমাকে খুব ভালবাসেন ।সেই ছেলেটি আমার লেখা পড়ে বলেছিল কাজের সুযোগ আছে তুমি বললে আমি করে দিতে পারি। উনার সুপারিশে কালান্তরে লোক নিয়োগ চলছিল, আদিবাসী মহাসভার এক হিমাংশু দাস এবং শিবু নামে দুই নেতার কাছে আমাকে পাঠালেন ।ওনারা আমার লেখালেখি বিষয়ে সব শুনে কালান্তরের এডিটর চন্দন চক্রবর্তী কে বলল এই ছেলেটিকে তোমরা বাজিয়ে দেখে নাও, যদি লিখতে পারে তাহলে লেখার সুযোগ করিয়ে দিও। কালান্তর অফিসে রীতিমতো আমাকে ইন্টারভিউ নিল চন্দনদা নিজেই। এরপর আমার কালান্তরে লেখালেখির জগতে শুরু হলো ২০০৬ সাল থেকে। লিখতে লিখতে বামফ্রন্ট বিরোধী লেখা শুরু করে দিই আর একটি মানবাধিকার কাগজের যোগাযোগ হতে। আমার উপরে অত্যাচার অবিচার অনাচার ঘরছাড়া পর্যন্ত করে দেয়।আমি একটি কাগজের লোক বলে জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইন পড়ে শিয়ালদা স্টেশনে অনাহারে দিন যাচ্ছে ,সেখান থেকে একটি লোকায়ত কে চিঠি লিখে। এরপর আমার উপরে আমার পরিবারের উপরে সিপিএমের অত্যাচার এর পাহাড় জমতে শুরু করে। আমি দীর্ঘ এক বছর বাড়ি আসতে পারিনি,তপন কুমার ঘোষ বলে এক হিন্দু নেতার ঘরে আশ্রয় নিয়েছিলাম বহুদিন, তখনও কিন্তু আমি সাংবাদিকতা করি।তিনি সমস্ত জায়গায় পুলিশ প্রশাসনকে চিঠি করেছিলেন কিন্তু বাড়ি ফেরানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। আদিবাসী সংবাদ পত্রিকায় আমাকে নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করার ফলে, মহেশ্বেতা দেবী আমাকে ওনার বাড়িতে ডেকে পাঠায়। সেই থেকে মহাশ্বেতা দেবীর বাড়িতে থাকার সুযোগ হয়ে ওঠে।

এরপর আমার সঙ্গে আলাপ হয়ে যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ সুপার হিসেবে ২০০৮ সালে এসেছিলেন অজয় রানাডে সাহেবের সাথে। অজয় রানাডে আমাকে ঘরে ফেরার। সাহেবে সঙ্গে আমার যোগাযোগ শুরু হওয়ার পরে সমস্ত বিষয়ে উনি আমাকে সাহায্য করতেন, আজও করেন । একটার পর একটা পরীক্ষা করে নিয়েছিলেন।আমি পড়াশোনা করব, এই কথাগুলো আমি নিজে মুখে ও নাকে জানিয়েছিলাম। সেই সময় উনি আমাকে অর্থ দিয়ে নিজেই ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি করে দেয়।সেই সময় আমার পরিবারসহ আমার পরিস্থিতি অতি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিল। আমাদের জীবন জীবিকা বলতে মাছ চাষের উপরে নির্ভরশীল ছিলাম।বারবার এই স্বপ্নে তারা আমাকে অনাহারে মারার চেষ্টা করে পুকুরে , ফিশারি বিষ বিয়ের সমস্ত মাছ মেরে দেওয়া, যাতে আমরা অনাহারে মরে যাই। অমানবিক নির্মম অত্যাচার আমার সপরিবারে মুখ বুঝে সহ্য করতে হয়েছিল।
এমন বেহাল হয়ে গেলেন খাওয়া-দাওয়ার পয়সা ছিল না। দিনের পর দিন অনাহারে চলেছিল আমার পরিবারের সবার। আবার মহাশ্বেতা দেবীর কানে পৌঁছে যায়  আমার অত্যাচারের কথা, নিজে থেকে ফোন করে আমার ঘরে ডেকে পাঠান এবং আমার পাশে বহুবার বহু বিষয়ে ছিলেন।মহাশ্বেতা দেবীর হাত ধরে জোয়ার নামে একটি পত্রিকার আমি জন্ম দিলাম এবং তার প্রধান সম্পাদক ছিলাম, থেকে আমার পড়াশুনোর আবার নতুন করে শুরু হয় রানাডে সাহেবের পড়াশোনার খরচা দিতেন বছরের পর বছর। এরপর আরেকটি কাগজ জন্মদিন দূরদৃষ্টি তার ও সম্পাদক আমি ছিলাম। সময় আমি আরেকটি সুযোগ পাই। আদিবাসী সংবাদ বলে একটি পত্রিকায় লেখালেখি করতে করতে, দিল্লির একটি হিন্দি পত্রিকা আদিবাসী দুনিয়া সম্পাদক মুক্তি তিরখী সাথে যোগাযোগ হয়, ওখানে চাকরি করতে শুরু করলাম ২০০৯-২০১০ সালে। সেই সময় ডি চৌহান বলে এক ব্যক্তি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন দিল্লি থেকে। আই পি এস নিউজ সংস্থা করেছিলেন, সত্য মিথ্যা যাচাই করার মতন আমার পরিকাঠামো ছিলনা।

Related Articles

Back to top button