জাতীয়

রেমিডেসিভির নকল ওষুধ বিক্রি করতে গিয়ে পুলিশের জালে দুই ব্যক্তি

নাগপুর: সব রাজ্যে এমনই চক্র ভুরি ভুরি উদাহরন আছে নকল ওষুধ, নকল জল, দ্রব্যমূল্য মার্কেটেেে ছেয়ে গিয়েছে। নকল সবকিছুই মার্কেটেে বিক্রি এতটা সাহস কেউ  যোগায় না। অনেকে ঠকেে গিয়ে নাাাা বোঝার ভান থাকেে।কেউ প্রতিবাদে তিনি প্রতিবাদ করে ও এভাবেই সফলতা মেলেনা পুলিশ বহু চক্রের সঙ্গে কিভাবে যুক্তত থাকে অভিযোগ শোনা যায়। এই ক্ষেত্রেে পুলিশের সক্রিয়তা দরকার।

ওষুধের দোকান, হাসপাতালে অমিল রেমিডেসিভির। এদিকে, দ্রুত করোনা চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন এই ওষুধ। তাই ঘুরপথেই কিনতে গিয়েছিলেন বর্তমানে দুমূল্য ওই ওষুধ। যদিও ২৮ হাজার টাকায় দুই শিশি রেমিডেসিভিরের বদলে দেওয়া হল জল। সন্দেহ হতেই পুলিশে খবর দেয় রোগীর পরিজনেরা। বিকেলেই ফাঁদ পেতে গ্রেফতার করা হয় দুই ব্যক্তিকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিলাষ পেটকার (২৮) ও অনিকেত নন্দেশ্বর (২১) নাগপুরের শক্করদাড়ায় একটি হাসপাতালে এক্স-রে টেকনিশিয়ান হিসাবে কাজ করেন। একাধিক রোগী পরিবারকে রেমিডেসিভিরের জন্য হাহাকার করতে দেখেই তাঁদের মাথায় জালিয়াতির বুদ্ধি আসে।

এক করোনা রোগীর পরিবারকে শিকার বানায় তাঁরা। রেমডেসিভিরের খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়ানো ওই ব্যক্তিকে বলা হয়, ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে দুটি ভাইল মিলবে রেমিডেসিভিরের। পরে দরদাম করে তা ২৮ হাজারে ধার্য করা হয়।

যদিও রোগীর এক আত্মীয়ের ওষুধটি দেখে সন্দেহ তৈরি হয়, সঙ্গে সঙ্গে নাগপুর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশও নকল ক্রেতা সেজে একটি উড়ালপুলের নীচে ধরার ফাঁদ তৈরি করে। না জেনেই সেই ফাঁদে পা দেয় ওই দুই যুবক। ইতিমধ্যেই তাঁদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ টিভি9 বাংলা

Related Articles

Back to top button