রাজ্য
ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চুক্তিভিত্তিক কর্মীর বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টার প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন

মৃত্যুঞ্জয় সরদার:আমাদের আর কত কি যে দেখতে হবে এমন কঠিন পরিস্থিতি করোনা মহামারীর কালে, আমরা অনেকেই ভাবতে পারছিনা। যারা মানুষ সেবা কাজে নিয়োজিত থাকে, সেই কারনে যেন অপবাদ সহ্য করতে পারলো না। তেমনই মনে হচ্ছে ।, যারা দিন-রাত পরিশ্রম করে নিজের জীবনকে বাজি রেখে করোনা মহামারী রোধে অগ্রসর হয়েছে, আর তারা কি না এই কয়েক শ’ টাকার ওষুধ চুরি করবে। এমনি মিথ্যা অপবাদে আজ একটি জীবন চলে যেতে হল।
যেভাবে হসপিটালের ডাক্তার নার্স থেকে শুরু করে স্টাফেরা কাজ করে আসছে তাই একপ্রকার প্রশংসনীয়। একদিকে ডক্টর নার্স চিকিৎসার গাফিলতিতে অভিযোগ, অন্যদিকে যেমন এদেরকে মানুষ দেবতা হিসেবে গণ্য করে। তবে এদের মধ্যে অসহায় যন্ত্রনা আবেগ-অনুভূতি সবকিছু আছে, তা আন্দোলন বা কথার মধ্যে প্রকাশ পায় ।কিন্তু হঠাৎ করে হাসপাতালে ডি গ্রুপের কর্মীদের অপবাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠল।ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। ঘটনার সূত্রপাত বেশ কয়েক দিন আগে, একটি গ্রুপ ডি র স্টাফের বিরুদ্ধে ঔষধ চুরির অভিযোগ আনে হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ। আর সেই ঘটনায় অভিযুক্ত সঞ্জয় তা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। মেনে নিতে পারেনি তার সহকর্মীরা।
বারবার কর্তৃপক্ষ চাপ দিতে থাকলে উক্ত ওই হাসপাতালে গ্রুপ ডি র সঞ্জয় বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেন। এর পরেই তার সহকর্মীরা একসাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একজোট হন। তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিই সমস্ত পরিষেবা কে সচল রেখে কর্মবিরতিতে নামলেন ডেবরা সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল এর গ্রুপ ডির কর্মীরা।
এ বিষয়ে হসপিটাল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে মুখ খুলতে চাননি কেউই। তাই কি নিয়ে বিষয়টি ঘটেছে সে বিষয়ে উড়ছে একাধিক প্রশ্ন।
সেইসঙ্গে তাদের আরও দাবি প্রতিনিয়ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং পার্মানেন্ট স্টাফেরা দুর্ব্যবহার করে এ গ্রুপ ডির স্টাফেদের সাথে। চলে মানসিক অত্যাচারও। তাই অবিলম্বে দোষীদের যাতে শাস্তি হয় সেই দাবিতেই হনোর থাকছে এই গ্রুপ ডির ক্যাজুয়াল স্টাফেরা।



