রাজ্য

বিদ্যাসাগরের বিজ্ঞানীরাও জগৎ সভায়, একসঙ্গে ৩৪ জন ঢুকে পড়ল বিশ্ববিজ্ঞানী র‍্যাকিংয়ে

 

বিজ্ঞানের জগতে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় যেন হুড়মুড়িয়ে এগিয়ে চলেছে। জঙ্গলমহলের পিছিয়ে পড়া জায়গায় অবস্থিত এই  বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরাও যে জগৎ সভায় স্থান করে নিতে পারে তা প্রমাণিত হল আবারও। কারণ, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বা দু’জন নন, এক সঙ্গে ৩৪ জন গবেষক তাঁর গবেষণার জন্য বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে স্থান পেলেন।

প্রতি বছরই বিশ্বের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সমস্ত বিষয়ে গবেষণা হয়, তা নিরিখে বিজ্ঞানীদের অবস্থান দেখা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিশ্ব বিজ্ঞানী এবং বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিং ২০২১ (World Scientist and University Rankings 2021) এর তালিকা অ‌নুযায়ী দেখা গেল, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪ জন বিজ্ঞানী এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরিখে দেখা গেল, প্রথম হয়েছেন নিউট্রোজেনোমিক্সের দেবীদাস ঘোষ। অঙ্ক বিভাগের মধুমঙ্গল পাল হয়েছেন দ্বিতীয়। বটানির অমলকুমার মন্ডল তৃতীয় হয়েছেন। বায়োলজির সোমনাথ রায় চতুর্থ। আর পঞ্চম হয়েছেন কেশব চন্দ্র মন্ডল। এভাবেই বিভিন্ন বিভাগের ৩৪ জন গবেষক বিশ্বের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন।

বিশ্বের মধ্যেই অবশ্য খুব একটা পিছিয়ে নেই বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরিখে প্রথম স্থানে থাকা দেবীদাসবাবুর এশিয়াতে ৬২১২ তম স্থানে। আর বিশ্বে ৪৯১৬৮ তম স্থানে। মধুমঙ্গলবাবু এশিয়াতে ৬৩৯২ ও বিশ্বে ৪০৩১৭ তম স্থানে। অমলবাবু এশিয়াতে ৮৯০৬ ও বিশ্বে ৬৭৫০৪ তম স্থানে। সোমনাথবাবু এশিয়া র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৩৭৩৩ ও বিশ্বে ৯৭৫৬১ তম স্থানে। আর কেশবাবু এশিয়াতে ১৪০৬৯ ও বিশ্বে ৯৯৪৪৬ তম স্থানে।

 

বাকি যে সব বিজ্ঞানীরা স্থান পেয়েছেন তাঁরা হলেন, দেবীদাস ঘোষ, শ্যামলকুমার মন্ডল, ব্রজগোপাল বাগ, দেবদুলাল ব্যানার্জী, অমিয়কুমার পান্ডা, মইদুল হাসান, বিধানচন্দ্র পাত্র, অজয় মিশ্র, শঙ্করকুমার রায়, সুবলচন্দ্র মান্না, সুমনকুমার হালদার, সুদীপ্ত দোলই, অণির্বান বসু,কুন্তল চ্যাটার্জী, সুরজিৎ ঘোষ, সন্দীপ চট্টোপাধ্যায়, মনোজিৎ ভট্টাচার্য, রামকৃষ্ণ মাইতি, চিরঞ্জীব জানা, দ্বিপান্বিতা কে দত্ত, অমলকুমার মন্ডল, গনেশ ঘোড়ই, জ্যোতিশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রদীপা ঘোষ, শঙ্কর সাহু, অমিতাভ পাল, সুমনা সরখেল, অরূপ কুমার সরকার।

 

এই তালিকায় বিশ্বের মধ্যে প্রথম হয়েছেন হার্ভার্ড ইনিভার্সিটির রোনাল্ড সি কেসলার (Ronald c Kessler, Harvard university), দ্বিতীয় হয়েছে কুঙ্গপুক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচ জে কিম( H j kim, Kyungpook national university), তৃতীয় হয়েছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়েরই জন ই ম্যানসন (Joann e manson, Harvard  university)।
বিশ্বের দশজনের মধ্যে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়েরই তিনজন বিজ্ঞানী রয়েছেন।

তবে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪ জন বিজ্ঞানী এই তালিকায় স্থান করে নেওয়ায় খুশির হাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে।

 

 

Related Articles

Back to top button