রাজ্য

প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন ব্যানার্জিকে নিয়ে ফের কেন্দ্র-রাজ্য টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন ব্যানার্জিকে নিয়ে ফের কেন্দ্র-রাজ্য টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর দু’মাসও হয়নি। রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী হিংসা নিয়ে সুর চড়িয়েছে গেরুয়া শিবির। হাইকোর্টও বাংলার রাজনৈতিক হিংসা ও ঘরছাড়াদের নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। তাই নিয়ে মানবাধিকার কমিশনের কাছে রিপোর্টও তলব করা হয়েছে। আর এর মাঝেই ‘বঙ্গভঙ্গ’ তথা পৃথক রাজ্য তৈরির দাবি জানিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্কের শীর্ষে বিজেপি সাংসদ জন বার্লা। উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের স্বার্থে পৃথক রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের দাবি তুলেছেন তিনি। বার্লার দাবির পর বোমা ফাটিয়েছেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁও। পৃথক জঙ্গলমহল রাজ্য গঠিত হোক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করতে গিয়ে এমনই দাবি তুলেছেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। এ নিয়ে নানা যুক্তিও সাজিয়েছেন সৌমিত্র। স্পষ্টতই  দুই সাংসদের এমন মন্তব্যে রীতিমতো অস্বস্তিতে বিজেপি।

এর মাঝে
গতকাল চিঠিতে আলাপনকে বলা হয়েছে ৩০ দিনের মধ্যে চিঠির উত্তর না দিলে কিংবা সশরীরে দিল্লি উপস্থিত না হলে একতরফা পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কেন্দ্রের কড়া মনোভাব নিয়ে সৌগত রায় এদিন বলেন, ‘প্রতিশোধের রাজনীতি করছে।প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন ব্যানার্জিকে নিয়ে ফের কেন্দ্র-রাজ্য টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। এই নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূল সাংসদ আরও বলেন, ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিং প্রধানমন্ত্রীর অধীনস্থ দফতর। ফলে যা হচ্ছে তা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই হচ্ছে। আর তার জেরেই এই নিষ্ঠুর আচরণ চলছে। আর এক সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় জানালেন, আর্থিক তছরুপের অভিযোগ ছাড়া আর কোনও ক্ষেত্রেই একজন অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস আধিকারিকের বিরুদ্ধে এরকম বিভাগীয় তদন্ত করা যায় না। সুখেন্দুর কটাক্ষ, এর পর কোন দিন ২০ বছর আগে অবসর নেওয়া আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হবে।
গতকাল কেন্দ্রের তরফে কড়া চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় কর্মিবর্গ মন্ত্রক। আলাপনের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ।

আজ সাংবাদিকদের দুই তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় এবং সুখেন্দুশেখর রায় জানালেন, বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গিয়ে এখন প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে কেন্দ্র। আইপিএস আইএস অফিসারদের হেনস্থা করা হচ্ছে।লজ্জাজনক হারের পর বিজেপি রাজ্য সরকারের কাজকর্মকে বিপর্যস্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় করোনা অতিমারির সময় কাজ করছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার ঠিক তখনই তাঁর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তুলল। আমাদের সবথেকে সত্‍ আমলাদের ভাল ভাবে কাজ করতে দিচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার।’

Related Articles

Back to top button