রাজ্য

মুর্শিদাবাদে হোম-স্টে, ট্যুরিজম সেন্টারঃ মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে ফোকাসে পর্যটন, কর্মসংস্থান

রাজেন্দ্র নাথ দত্ত :মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে ফোকাসে জেলার পর্যটন এবং কর্মসংস্থান। রবীন্দ্রসদনে বৈঠকে  উঠে এল জেলায় শিল্পায়নের প্রসঙ্গও।  এদিন বৈঠকে জেলার পর্যটনের বিকাশ নিয়ে একাধিক প্রস্তাব দেন চেম্বার অফ কমার্সের প্রতিনিধি । মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানান , জেলায় পর্যটনের উন্নয়নে সচেষ্ট রাজ্য সরকার।মুখ্যমন্ত্রী  মমতা বন্দোপাধ্যায়  বলেন, যেখানে যেখানে হেরিটেজ আছে । সেখানে কিছুটা এরিয়া,  পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে হোম স্টে করা যাবে। স্থানীয়দের বাড়িতেই থাকবেন পর্যটকরা। দেড়লক্ষ টাকা, ট্রেনিং দেবে সরকার। মমতা বলেন , মুর্শিদাবাদ  জেলায় ট্যুরিজমের  সেন্টার করতে হবে। স্থানীয়দের নিয়ে ট্যুরিজমের কাজ করতে হবে। হেরিটেজ সাইটগুলিতে হোটেল, হোম ট্যুরিজম তৈরি হবে।বহরমপুরেও হতে পারে হোটেল।  খুব বেশি হোটেল নেই। মুর্শিদাবাদ, পলাশী, ফরাক্কা প্রচুর এলাকা আছে, কর্নসুবর্ণ আছে, কীরিটেশ্বরী  আছে। পাবলিসিটি করতে হবে। জানাতে হবে মানুষকে। জেলার পর্যটন নিয়ে প্রচারেও জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিনের বৈঠকে জেলার পর্যটন ঘিরে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানান পর্যটন সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী । নন্দিনী জানান, ট্যুরিস্ট গাইডের স্বীকৃতি দেবে সরকার।  পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য   ১০০ জন টুরিস্ট গাইড প্রশিক্ষণ চলছে উৎকর্ষ বাংলায়। পর্যটন শিল্পে পর্যটন গাইডদের স্বীকৃতি দেওয়া হবে,  প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। রাজ্য সরকারের  হোম স্টে  পলিসি কার্যকর হবে জেলায়।  হেরিটেজ ডেস্টিনেশনগুলিতে  হোম স্টের উপর  জোর দেবে রাজ্য সরকার । রাজ্য সরকার থেকে দেওয়া হয় উদ্যোক্তাদের দেড় লক্ষ টাকা।  হাউস কিপিং’এর  ট্রেনিং দেবে সরকার। স্বীকৃতি দেওয়া হবে ট্যুর অপারেটারদের।সচিব জানান  সার্কিট ট্যুরিজমে জোর দেওয়া হচ্ছে । ওয়াসিফ মনজিল কে হোটেল করার ভাবনা রয়েছে সরকারের  । এদিনের সভায় জানানো হয়, আরো ভালো করে সাজানো হবে মোতিঝিলের প্রকৃতিতীর্থ। সারানো হবে ট্রয় ট্রেনও।জেলার বিল, বড় জলাভূমি ঘিরে পর্যটন শিল্প গড়ে ওঠার ভাবনার কথাও এদিন বৈঠকে জানান মুখ্যমন্ত্রী। জেলা প্রশাসনের পক্ষে মুর্শিদাবাদের জেলা শাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী জানান, পরিকল্পনা করেই এগচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলা।

ট্যুরিজমের বিকাশের সাথে জেলায় কর্মসংস্থানের বিকাশ কীভাবে ঘটে সেই পরিকল্পনাও উঠে আসে বুধবারের সভায়। মুর্শিদাবাদের আজিমগঞ্জে  বড়িকোঠি পরিদর্শনেও যান রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা। জেলার ট্যুরিজম নিয়ে আলোচনা গুরুত্ব পাওয়ায় খুশি জেলার ব্যবসায়ী মহল থেকে পর্যটকরাও।

Related Articles

Back to top button