বিস্ফোরনে ৬ মাসের শিশু সহ ১০ জনের মৃত্যু, উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রী
ভাগলপুর : রাতে এলাকা মোটামুটি শান্ত হয়ে এসেছে। হঠাৎই বিস্ফোরণের শব্দ । প্রায় তিন কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা কেঁপে উঠল সেই আওয়াজে। শব্দ শুনেই কেঁপে ওঠেন এলাকার বাসিন্দারা। বিহারের ভাগলপুরের ঘটনা। বাজি কারখানায় সেই বিস্ফোরণের জেরে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক ৬ মাসের শিশুও। এলাকার বাসিন্দারা শব্দ শুনেই ছুটে যান এলাকায়। একটি বাড়িতেই ওই বিস্ফোরণে ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বাড়িতেই ছিল বাজির কারখানা। বৃহস্পতিবার রাতে যখন বাজি বানানো হচ্ছিল, তখনই ওই বিস্ফোরণ ঘটে। এই খবর পেয়ে টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এই ঘটনার পর টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উদ্ধারকাজ যাতে দ্রুত চালানো হয়, সেই বার্তা দিয়েছেন মোদী। এই প্রসঙ্গে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে, বিস্ফোরণের আসল কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। খবর পেয়েই উদ্ধার কাজ চালাতে শুরু করে পুলিশ। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়েছে ফরেনসিক টিম। বিস্ফোরণের ধরন ও কারণ অনুসন্ধান করার চেষ্টা করবেন তাঁরা। এলাকায় এটাই প্রথম ঘটনা নয়। ২০০৩ সালে ওই আতিশবাজের বাড়ির পাশেও সুভাষ নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে একইভাবে বিস্ফোরণ হয়েছিল। গ্রেফতারও হয়েছিলেন সুভাষ।
পিঙ্কি কুমার নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, তাঁর পরিবারের দুই সদস্যেরও মৃত্যু হয়েছে বিস্ফোরণের জেরে। আতিশবাজের বাড়ি ভেঙে পড়ে তাঁদের বাড়ির ওপর। ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল সুজিত কুমার জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে, অবৈধভাবে বাজি কারখানা চালাচ্ছিলেন নবীন আতিশবাজ। তাঁর বাড়িতে মজুত ছিল প্রচুর বিস্ফোরক।
বিস্ফোরণের মাত্রা এতটাই বেশি ছিল যে ওই দোতলা বাড়িটি ছাড়াও পাশের আরও তিনটি বাড়ি ভেঙে পড়েছে। নবীন আতিশবাজ নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন নবীন আতিশবাজও।



