রাজ্য

বিচারপ্রতি গঙ্গোপাধ্য়ায় খোদ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতির চাকরি কাড়লেন

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের চাকরি কাড়লেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Calcutta High court remove Manik Bhattacharya from president post) ৷ বিচারপতির নির্দেশেই অপসারিত হলেন তিনি । নতুন সভাপতি দায়িত্ব না-নেওয়া পর্যন্ত আপাতত সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচিই সভাপতির দায়িত্ব সামলাবেন । আগামিকাল মঙ্গলবার বেলা 2টোর সময় মানিক ভট্টাচার্যকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ৷

এদিন সিবিআই-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে সমস্ত নথি জমা করেছে পর্ষদ তা আদৌ 2017 সালের কি না, সেটা ফরেনসিক সায়েন্স খতিয়ে দেখবে । প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ জানায়, 2011 সালে একটা কমিটি গঠিত হয়েছিল । সেই কমিটিই 2014 সালের প্রশ্ন সঠিক না ভুল, সেই ব্যাপারে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল । কিন্তু বিচারপতির প্রশ্ন, কোনও পরীক্ষার প্রশ্ন সঠিক না ভুল তা খতিয়ে দেখার ক্ষমতা আদৌ দেওয়া হয়নি তাদের ।

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের যুক্তি, বোর্ড চাইলে একাধিক তালিকা প্রকাশ করতেই পারে চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে সুবিচার করার জন্য। এই ব্যাপারে বিচারপতির নির্দেশ, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী এটা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় ।

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সোমবার কম্পিউটার জেনারেটেড কিছু রোল নম্বর জমা দিয়েছে যা প্যানেল বলে মনে হয়নি বলে উল্লেখ বিচারপতির । মামলাকারী আইনজীবীদের তরফে সুদীপ্ত দাসগুপ্ত আদালতে জানান, একটা সিলেকশন কমিটি থাকা উচিত ছিল । কিন্তু 273 জনকে নতুন করে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনও সিলেকশন কমিটি ছিল না । প্যানেল প্রকাশ না-করেই নিয়োগ হয়েছে

গত শুক্রবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় যে নির্দেশ দিয়েছিলেন তার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ 2787 জনের একজনেরও আবেদনপত্র জমা দিতে পারেনি আদালতে । ফলে বোর্ড যে দাবি করেছিল প্রার্থীদের থেকে আবেদনপত্র নেওয়া হয়েছিল নম্বর দেওয়ার জন্য তা সত্য নয় ।

Related Articles

Back to top button