কোনও অন্যায় নেই‘ সৌজন্যে’, তবে কোন দাবিতে আপত্তি দিলীপের?

নিজস্ব সংবাদদাতা: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ঘরে ডেকে মিনিট তিনেক কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় । শুক্রবার বিধানসভার সেই রাজনৈতিক সৌজন্যই এখন বাংলার রাজনীতিতে চর্চার বিষয়। কেউ বলছেন, এটাই সংসদীয় রাজনীতির স্বাভাবিক সৌজন্য, আবার কেউ বলছেন এর পিছনে রয়েছে রাজনীতির অঙ্ক। তবে এই ঘটনায় কোনও অন্যায় দেখছেন না বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ ।
তাঁর দাবি, বিরোধী দলের সঙ্গে সৌজন্য রাখায় কোনও অন্যায় নেই। তবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব দলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার যে কথা বলেছেন, তা নিয়ে আপত্তি রয়েছে তাঁর। শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই দাবি করেছেন তিনি।
শুক্রবার সংবিধান দিবসে একদিকে যেমন শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মমতা, অন্যদিকে বিরোধীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করার বার্তাও দিয়েছেন বিধানসভায়। মমতার দাবি, রাজ্যের স্বার্থে দল নির্বিশেষে সবারই এগিয়ে আসা উচিত। সেই প্রসঙ্গে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে মমতা বলেন, ‘সব দলকে নিয়ে প্রতিনিধিদল তৈরি করুন। তাঁরা দিল্লি যাবেন।
প্রয়োজনে মন্ত্রীদের কাছে গিয়ে বাংলার হয়ে দাবি করবেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছেও যাবেন। সবাই মিলে উন্নয়নের কাজ করুন।’ এই বিষয়টাতেই আপত্তি রয়েছে দিলীপের। তিনি বলেন, ‘চলুন যাই সবাই মিলে দিল্লি থেকে টাকা নিয়ে আসি বলে যে প্রস্তাব উনি দিয়েছেন, তাতে আমার আপত্তি আছে। আমরা টাকা নিয়ে আসব আর সেই টাকায় তিনি আনন্দ করবেন, নিজের লোকদের পুষবেন, এটা হতে পারে না।’
শুভেন্দুর সঙ্গে মমতার সৌজন্য প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, ‘কারও সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকতেই পারে। বিধানসভা সৌজন্যের জায়গা। সাংবিধানিক ব্যবস্থায় সবাই বসে কথা বলেন। আমার অন্যায় কিছু মনে হয়নি। আমি নিজেও বিরোধী দলের সঙ্গে সৌজন্য রেখেছি।’ উল্লেখ্য, সংবিধান দিবসে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে মমতা দাবি করেছেন, বিভিন্ন বৈঠকে ডাকা হলেও আসেন না বিরোধীরা। শুক্রবার বিধানসভায় বিরোধীরা যাতে বিনা বাধায় কথা বলতে পারেন, সেটাই নিশ্চিত করেন মমতা।



