‘যুদ্ধ’ বদলে গেল ‘বন্ধুত্বে’ দিন দুয়েকেই! অ্যাপেলের অবস্থান বদল টুইটার নিয়ে

নিজস্ব সংবাদদাতা: ইলন মাস্কের সঙ্গে সাক্ষাতের পরই টুইটার নিয়ে অবস্থান বদল অ্যাপেলের)। অন্তত এমনটাই দাবি ইলন মাস্কের। বুধবার ইলন মাস্ক নিজেই টুইট করে জানান, অ্যাপেল স্টোর থেকে টুইটারকে বিতাড়িত করা নিয়ে যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল, তা মিটে গিয়েছে সংস্থার সিইও টিম কুকের সঙ্গে সাক্ষাতের পর। তিনি বলেন, “টিম স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে অ্যাপেল কখনওই এই সিদ্ধান্ত (টুইটারকে অ্যাপেল স্টোর থেকে বিতাড়িত করা)নেওয়ার কথা ভাবেওনি।”
টেসলা ও বর্তমানে টুইটারের মালিক ধনকুবের ইলন মাস্ক বলেন, “অ্যাপেল কখনওই টুইটারকে স্টোর থেকে ব্লক করে দেওয়ার কথা চিন্তাভাবনা করেনি”। মাস্ক নিজেই অ্যাপেল হেড কোয়ার্টারের একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে লেখেন, “ধন্যবাদ টিম কুক আমায় সময় দেওয়ার জন্য ও অ্যাপেলের হেড কোয়ার্টার ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য।”
টুইটার বনাম অ্যাপেল- এই বিরোধের সূত্রপাত হয় সোমবার। ইলন মাস্ক হঠাৎ দাবি করেন যে অ্যাপেল টুইটারকে তাদের অ্য়াপ স্টোর থেকে ব্লক করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এই দাবি নিয়ে তিনি একাধিক টুইট করেন, তবে কোনও টুইটেই তিনি এ কথা উল্লেখ করেননি যে কেন অ্যাপেল টুইটারকে ব্লক করে দিতে চাইছে।
মাস্কের আরও দাবি ছিল, টুইটারের প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন দেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছে অ্যাপেল। পরে তিনি অ্যাপেল সংস্থার সিইও টিম কুক-কে একটি টুইটে ট্যাগ করে জানতে চান, “কী হচ্ছে?”ইলন মাস্ক সোমবার অ্যাপেলের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি এনেছিলেন, তার মধ্য়ে অন্যতম ছিল, ইন অ্যাপ পারচেজের জন্য অ্যাপেল সফটওয়্যার ডেভেলপারদের কাছ থেকে ফি-র ৩০ শতাংশ চার্জ নেয়। কমিশন দেওয়ার বদলে তিনি অ্যাপেলের সঙ্গে যুদ্ধ করবেন বলেও জানিয়েছেন ইলন মাস্ক।
টুইটার বা অ্যাপেল, কোনও সংস্থার তরফেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। উল্লেখ্য, এর আগেও অ্যাপেলকে একাধিকবার টুইটারে ট্যাগ করেছিলেন ইলন মাস্ক, কিন্তু কোনওবারই মাস্কের টুইটের জবাব দেওয়া হয়নি সংস্থার তরফে।


