রাজ্য

বইয়ের নাম কেন ‘১৯৫৬’? সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে বললেন শুভেন্দু

নিজস্ব সংবাদদাতা: মঙ্গলবার রাজধানীতে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী । কিছুদিন আগেই ‘১৯৫৬’ নামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক।

এদিন দিল্লিতে ধনখড়, শাহ ও নাড্ডাদের হাতে সেই পুস্তিকা তুলে দেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই পুস্তিকার ভিতরের বেশ কিছু পাতাও খুলে দেখান পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।

কেন তাঁর বইয়ের নাম ১৯৫৬? সেই কথাও জানালেন শুভেন্দু। বললেন, “এই ব্রশিওরটির নাম ১৯৫৬। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই ব্যবধানে হারিয়েছি গত ভোটে।” সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভও উগরে দেন তিনি।

রাজ্যে বিরোধী দলের নেতাদের কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, ভুয়ো মামলা করা হচ্ছে, এমনও অভিযোগ তোলেন বাংলার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বললেন, তিনি অমিত শাহকে জানিয়েছেন কীভাবে রাজ্যে গণতান্ত্রিক কর্মসূচি আটকানো হচ্ছে। মৃত কৃষকদের সঙ্গে দেখা করতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও নালিশ জানান তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী জানান, তিনি রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একটি রিপোর্টের পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ ‘মিথ্যা’ এফআইআর সংক্রান্ত নথি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে দিয়েছেন। বিরোধী দলনেতা বললেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমার সামনেই সেই সব নথি ঘেঁটে দেখলেন এবং সেই সব পড়ে তিনি আমাকে শুধু বললেন, আপনার বিরুদ্ধে সব জেলায় এমন কাজ করা হচ্ছে!”বিরোধী দলনেতা জানালেন, আধ ঘণ্টারও বেশি সময় দিয়েছেন অমিত শাহ। বললেন, ” বৈঠকের ভিতরের অনেক কথাই হয়েছে। সব কথা তো সংবাদমাধ্যমের কাছে বলতে পারব না। তবে আমি ওনাকে তথ্য দিয়ে জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের এক শ্রেণির আইপিএস অফিসার, পুলিশ অফিসার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমার গণতান্ত্রিক, সাংবিধানিক কাজকর্মে বাধা দিচ্ছে এবং প্রচুর মিথ্যা মামলা দিচ্ছে।”

Related Articles

Back to top button