রাজ্য

কাজ করছিলেন শ্রমিকরা, হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ; আগুনের লেলিহান শিখা কারখানায়

নিজস্ব সংবাদদাতা: শীতের বিকেল। কারখানায় কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ। ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলেন শ্রমিকরা। তারপরই কারখানায় আগুনের শিখা দেখা গেল। দিশেহারা শ্রমিকরা দৌড়তে লাগলেন। অঙ্কুরহাটিতে ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে সরস্বতী ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সে একটি রাসায়নিকের কারখানার গুদামে বিধ্বংসী আগুনে আতঙ্ক ছড়ায়। গুদামটি রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে ঠাসা ছিল। কারখানার গুদাম থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে অফিস ঘরেও। রাসায়নিক থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। দমকলের ৪টি ইঞ্জিন প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভায়। এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। কী থেকে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল আধিকারিকরা।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ আগুন লাগে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা তথা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শ্রীকান্ত পাত্র বলেন, “কারখানার গুদামে হঠাৎই বিস্ফোরণের শব্দ শুনলাম। তার পরই দেখি দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। ওইসময় কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা কাজ করছিলেন। তাঁরা আগুন দেখেই আতঙ্কে ছুটে পালান।”এদিন আগুন লাগার পর ঘটনাস্থলে ডোমজুড় থানার পুলিশ ও সিইএসসির আধিকারিকরাও পৌঁছে যান। আগুন থেকে বড়সড় দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য এলাকার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই রাসায়নিক কারখানার গুদামে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০টি রাসায়নিক ভর্তি প্লাস্টিকের ড্রাম ছিল। এর মধ্যে কিছু ভর্তি ও কিছু খালি ড্রাম ছিল।

হাওড়ার ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার রঞ্জনকুমার ঘোষ বলেন, “কারখানার গুদামে কীভাবে আগুন লাগল, অগ্নিনির্বাপণের যথাযথ ব্যবস্থা ছিল কি না, সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুন লাগার পর এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত কারখানা কর্তৃপক্ষের দেখা মেলেনি। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি আমরা।” তিনি আরও জানান, পাশে থাকা কারখানা থেকে জল পাওয়াতে দ্রুত আগুন নেভাতে সুবিধা হয়। আগুনের জেরে কারখানার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

Related Articles

Back to top button