‘দেশের পর্যটনের সবথেকে বড় ব্রান্ড অ্যাম্বাসডর নরেন্দ্র মোদী’, বাজেটে পর্যটন বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ায় খুশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা: পেশ হয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৩। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচনের আগে এটাই সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট ছিল। সেই কারণে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বিশ্লেষক, সকলের নজরই বাজেটের ঘোষণার দিকে ছিল। বুধবারই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বাজেটে যে বিষয়গুলির উপরে জোর দেন, তার মধ্যে অন্যতম ছিল পর্যটন । দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটনের অনেক সুযোগ রয়েছে এবং পর্যটন শিল্পে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন । যুব প্রজন্ম পর্যটন ক্ষেত্রে নিজেদের কর্মসংস্থানের যেমন সুযোগ তৈরি করে নিতে পারে, তেমনই নিজের উদ্যোগেও কোনও কাজ বা ব্যবসা শুরু করতে পারে বলে জানান তিনি।লোকসভায় বাজেট পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, “অমৃতকালের জন্য আমাদের যে দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, তার অন্তর্ভুক্ত প্রযুক্তি নির্ভর ও জ্ঞান ভিত্তিক অর্থনীতি, শক্তিশালী আর্থিক খাত। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশে’র মাধ্যমে জন ভাগিদারী বা জনসাধারণের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।”
শতবর্ষে পথে ভারতের যাত্রাপথ কেমন হবে, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়েই অর্থমন্ত্রী চারটি দিক তুলে ধরেন। এগুলি হল- মহিলাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, পিএম বিশ্বকর্মা কৌশল সম্মান, পর্যটন ও গ্রিন গ্রোথ। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি, পর্যটন মন্ত্রী জি কিসান রেড্ডিও অর্থমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়ে টুইট করেন। তিনি টুইটে লেখেন, “অমৃতকালের এই বাজেটে উন্নয়ন, বৃদ্ধি ও অন্তর্ভুক্তির উপরে জোর দেওয়ার জন্য় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে অশেষ ধন্য়বাদ।”অমৃতকালের উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও লেখেন, “দেশের পর্যটনের প্রচারে সবথেকে বড় ব্রান্ড অ্যাম্বাসডর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ২০২৩ সালের বাজেটে তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গিকেই তুলে ধরা হয়েছে। অমৃতকালে যে চারটি ক্ষেত্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, তার অন্যতম হল পর্যটন। অমৃতকালের বাজেটে কেন্দ্রের তরফে ৫০টি পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য প্য়াকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।”
কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের কমপক্ষে ৫০টি পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়ন করা হবে কমপ্লিট প্যাকেজ হিসাবে। রাজ্যগুলিকেও তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য একটি ‘ইউনিটি মল’ তৈরির জন্য উৎসাহিত করা হবে। মিশন মোডে পর্যটন উন্নয়নের কাজ করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের বাজেটে পর্যটন ক্ষেত্রের জন্য ২৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।সেই প্রসঙ্গ টেনেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জি কিসান রেড্ডি অপর একটি টুইটে লেখেন, “আজকের বাজেটে পর্যটন ক্ষেত্রকে অনেকটা শক্তি জোগানো হয়েছে। এবারের বাজেটে যথাযথ গুরুত্ব পেয়েছে ‘দেখো আপনা দেশ’ উদ্যোগ। অন্তর্দেশীয় পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নের প্রযোজনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”


