দুর্গানগর নদী বাঁধের কোনরকম মেরামত করা হয়নি
২০০৯ সালে ২৬শে মে,২০২১ আবার সেই ২৬ শে একই তারিখে ১২ বছর পরে ইয়াস এর ফলে সুন্দরবনের একাধিক এলাকা প্রবল বন্যায় প্লাবিত হয়. তেমনি নামখানা ব্লকের নারায়ণ পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৪৫,২৪৬ নম্বর বুথ প্রবল বন্যায় প্লাবিত হয়. এই দুটি বুথের নদী বাঁধের বিস্তীর্ণ জায়গা ভেঙ্গে দুর্গানগর গ্রাম জলমগ্ন হয়ে পড়ে।এই গ্রামবাসীদের অভিযোগ পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা এখন অসহায় অবস্থায় জীবন কাটাচ্ছে. গ্রামবাসীদের অভিযোগ সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনরকম খাবার আসেনি গ্রামবাসীর কাছে . একাধিকবার গ্রামবাসীরা পঞ্চায়েত সদস্য থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত প্রধান এমএলএ থেকে শুরু করে মন্ত্রী তাদের কাছে বারবার আবেদন জানানো সত্ত্বেও দুর্গানগর এই নদী বাঁধের কোনরকম মেরামত করা হয়নি।
তাই সুন্দরবনের ওপর যখনই কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা দেয় প্রথম শিকার হয় এই দুর্গা নগর বাসি. সামনেই রয়েছে ভরা কটাল স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে সমুদ্রের জল. তাই আবারও নদীবন্দর ভাঙ্গা অংশ গুলি থেকে জল ঢুকে দুর্গানগর গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছে গ্রামবাসীরা. এই বিষয়ে গ্রামবাসীরা.
এই দুর্গানগর এ থেকে তিনবার প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টু রাম পাখিরা পরিদর্শন করে গেছে নদী বাঁধের অবস্থা দেখে গেছে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও স্থায়ী মেরামতের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
যতদিন না সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় কংক্রিট নদী বাঁধ তৈরি হচ্ছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে সুন্দরবনকে বাঁচাতে, বড় কঠিন পরিস্থিতি বলে মনে করছেন এলাকাবাসীরা।



