রাজ্য

একই জেলার দুই ভিন্ন চিত্র! সিঙ্গুরে উদ্বোধন হচ্ছে নতুন রাস্তার, খানাকুলের মানুষ বিক্ষোভ করছেন বেহল দশার জন্য

খানাকুল: রাজ্যের বাজেট প্রস্তাব পাঠের সময় ‘রাস্তাশ্রী’ (Rastasree) নামে এক নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করলেন রাজ্যের অর্থ দফতরে স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)। এই প্রকল্পের আওতায় ১১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়কের কাজ করা হবে। নতুন রাস্তা তৈরির পাশাপাশি, পুরনো রাস্তাগুলিরও সংস্কার করা হবে এই প্রকল্পের আওতায়। ইতিমধ্যেই হুগলির সিঙ্গুরে নতুন ‘রাস্তাশ্রী’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু জেলার অপরপ্রান্ত খানাকুলের রাস্তার বেহলার দশা। একদিকে যখন নতুন ‘রাস্তাশ্রী’ প্রকল্পের উদ্বোধন হচ্ছে, তখনই বেহাল রাস্তা নিয়ে সরব স্থানীয় মানুষজন থেকে খানাকুলের বিধায়ক।

খানাকুলের চক্রপুর থেকে গনেশপুর পর্যন্ত পিচ রাস্তার বেহাল দশা। রাস্তায় পিচের দেখা নেই। বেরিয়েছে বড় বড় পাথর। এই রাস্তাটুকু যেতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে পথ চলতি মানুষের। দুর্ঘটনাও ঘটছে যখন তখন। রাস্তাটি কয়েক বছর আগে নতুন করে তৈরি হয়েছিল। বছর যেতে না যেতেই রাস্তার ওপর ব্রিজ ও ভেঙে গিয়েছে। বৃষ্টি হলে এই রাস্তা চেনার উপায় নেই। খানা খন্দে ভরে যায়। খানাকুল আছে সেই খানাকুলেই। চক্রপুর থেকে নতিবপুর যেতে গিয়ে নদীর ওপর দুটি ব্রিজ পেড়াতে হয়। সেই ব্রিজ ও হয়নি। পুলিশ প্রশাসন থেকে সরকারি কর্মচারিরাও ব্রিজ পেরিয়ে কোনওক্রমে নতিবপুর যান। আর এই রাস্তা নিয়ে বিস্তার অভিযোগ এলাকার মানুষের।

 

প্রকাশ্যে সংবাদিককে গালাগাল আরবাজ়ের, ‘কোনও ভুল করেনি’, বিস্ফোরক সলমন

 

 

যদিও এই নিয়ে খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ সরব হয়েছেন। আর হুগলি জেলা পরিষদের সদস্য তথা তৃণমূল নেতা রমেন প্রামাণিক রাস্তার কন্টাকটারের ওপরই অভিযোগ তুলেছেন। বলেন, “যারা রাস্তা বানিয়েছে তাঁদের বহুবার বলেছি। কিন্তু ওরা কোনও কথা শুনছে না। তবে বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। আমরা ঠিকই করে নিয়েছি হয় ওদের ব্ল্যাকলিস্ট করব।” এক পথচারি বলেন, “আমাদের অসুবিধা বেশি। জোড়া তাপ্তি দিয়ে রাস্তা চলছে।”

আজ হুগলির সিঙ্গুর থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একগুচ্ছ নতুন রাস্তা কোথায় কোথায় তৈরি হবে ভার্চুয়ালি শিলানাস করবেন। যেখানে আরামবাগ মহকুমার রাস্তা গুলির মধ্যে খানাকুলের বন্যা কবলিত রাস্তাই বেশি আছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলত সাধারণের প্রশ্ন, তাহলে পুরাতন রাস্তা গুলি কি মেরামত হবে না? কেন দীর্ঘদিন ধরে এইভাবে মানুষজনকে যাতায়াত করতে হবে?

Related Articles

Back to top button