রাত থেকে কারেন্ট নেই হরিদেবপুরে, গরমে নাকাল এলাকাবাসী বিক্ষোভে পথে

হরিদেবপুর: গরমে ওস্তাগত প্রাণ সাধারণ মানুষের। তার মধ্যে সোমবার রাত থেকে টানা লোডশেডিং হরিদেবপুর (Haridebpur) এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। চরম ভোগান্তির মুখে স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রচন্ড গরমে রাতেই ভোরের আলো ফোটার আগেই ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসেছেন কেউ কেউ। রাস্তায়, গাছের নিচে সকাল থেকে ভিড় ছোট-বড় সকলের। অভিযোগ, স্থানীয় একটি ট্রান্সফরমারে বৈদ্যুতিক গোলযোগ হয়েছে। আর তাতেই বিচ্ছিন্ন এলাকা জুড়ে বিদ্যুৎসংযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবার তাঁরা CESC-কে খবর দিলেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। প্রতিবাদে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় হরিদেবপুর পোস্ট অফিসের সামনে রাস্তা অবরোধ করেন এলাকার লোকজন। যদিও পুলিশ এসে সাধারণ বাসিন্দাদের বুঝিয়ে পথ অবরোধ তুলে দেয়।
পরে সিইএসসির পক্ষ থেকে জেনারেটর দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে ঘরে ঘরে। কিন্তু সেটাও পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। তাদের আশঙ্কা মঙ্গলবারও হয়তো বিদ্যুৎ আসবে না এলাকায়। ঘরে বয়স্করা রয়েছেন, রয়েছে শিশু। রোগীও রয়েছেন অনেকে। এভাবে টানা বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যদিও এ নিয়ে সিইএসসির তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে সোমবার রাতে সিইএসসির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে লেখা হয়, গত কয়েকদিন ধরে তাপপ্রবাহে শহর তেতেপুড়ে একসা। সংস্থার অনুরোধ, প্রত্যেকে যেন ইলেকট্রিকাল অ্যাপ্লায়েন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকেন। কারণ, ওভারলোডিং হয়ে গেলে তাদেরও পরিষেবা দিতে সমস্যা হবে।
দেশে আরও কিছুটা কমল করোনা সংক্রমণ
এলাকার বাসিন্দা টিঙ্কু মণ্ডল বলেন, “সোমবার রাত সাড়ে ১১টা থেকে কারেন্ট নেই। এখনও পর্যন্ত সিইএসসির লোক আসেনি। একবার এলো, কাজ করল, তারপর আবার চলে যায়। সেই যে গেল, এখনও কারেন্ট আসেনি। সারারাত জাগা। জেনারেটর দিয়েছে দু’টো ওরা। আমরা অবরোধ করায় পাঠায়। সব গাড়ি বন্ধ করে দিয়েছিলাম।” এলাকার এক বৃদ্ধা জানান, তিনি অসুস্থ। রাতে ঘরে থাকতে না পেরে এলাকার মন্দিরে গিয়ে বসেছিলেন। সকালেও বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হয়নি। একটি জেনারেটর ভ্যান পাঠানো হয়েছে সিইএসসির তরফে।



