কই মাছ গলায় বিঁধে ছটফট করতে-করতেই মারা গেলেন মৎস্যজীবী
বসিরহাট: কিন্তু এমন মর্মান্তিক অবস্থা হবে কেউ ভাবতেও পারেননি। পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি না থাকার কারণে মুখের মধ্যেই রেখেছিলেন কই মাছ। কিন্তু তারপরই মর্মান্তিক পরিণতি। গলায় জ্যান্ত কই মাছ আটকে মৃত মৎস্যজীবী। বসিরহাটের মাটিয়া থানার খোলাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবিন্দপুর গ্রামের ঘটনা।
এরপর কলকাতার আরজিকর হাসপাতালে তাকে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু সেখানে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি ওই ব্যক্তিকে। আরজিকরেই মারা যায় সে। এই ঘটনায় গ্রামে শোকের ছায়া নেমে পড়েছে। বস্তুত, এই প্রথম নয়, এর আগেও এই ঘটনা ঘটেছিল। পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি, জাল, শিকের অভাবে অনেক সময়ই মৎস্যজীবীরা ছোট মাছ পেলে দাঁত দিয়ে মুখে আটকে রাখেন। আর সেই সময়ই অন্য মনস্ক হয়ে গিয়ে জ্যান্ত মাছ গলায় বিঁধে যায় অনেকের। আর তারপরই মৃত্যু হয়। এর আগেও বেশ কয়েকবার সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জে গলায় কই মাছ আটকে মৃত্যু হয়েছে মৎস্যজীবীর। কিন্তু তারপরও যে হুঁশ ফেরেনি আজকে ঘটনা সেই বিষয়ই প্রমাণ করছে।
দিনবন্ধু বিশ্বাস (৫২)। পেশায় তিনি মৎস্যজীবী। শনিবার ভোরবেলা প্রতিদিনের মতই মাছ ধরতে গিয়েছিলেন তিনি। শুরুটা ভালো হলেও শেষটা খুবই কষ্টদায়ক। জানা গিয়েছে, একদিকে জাল শুকতে দিয়ে তিনি জিওল মাছ ধরতে শুরু করেন। এদিকে, জিওল মাছ ধরার আগে তিনি কইমাছ ধরে মুখে পুড়ে রাখেন। সেই সময় আচমকাই কইমাছটি গলায় আটকে যায় তাঁর। সঙ্গে-সঙ্গে সঙ্গীরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বসিরহাট হাসপাতালে ভর্তি করলে তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়া শুরু করে।



