ওই দুটো ছয় মারতে একমাত্র বিরাটই পারতেন, এমন কথা কে বলছেন ?

নিজস্ব সংবাদদাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ। তবে তার রেশ কিছুটা হলেও রয়ে গিয়েছে। বিশ্বকাপের সুপার ১২ পর্বে ২৩ অক্টোবর ছিল ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। হ্য়ারিস রউফকে ১৯তম ওভারে ২টি বিশাল ছক্কা মারেন বিরাট কোহলি। ওই ম্যাচে নাটকীয় ভাবে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। হ্য়ারিস রউফের বিশ্বাস, ওই রকম ২টি ছক্কা বিরাট ছাড়া আর কেউ মারতে পারতেন না। তখন ৮ বলে দরকার ছিল ২৮ রান।
সেই সময় বড় শট না মারলে ভারতের পক্ষে ম্য়াচ জেতা সম্ভব হত না। তখনই পর পর ২টি ছয় মারেন বিরাট। আর তাতেই ম্য়াচ ঘুরে যায়। এই ২টি ছক্কা সম্পর্কে পাকিস্তানের একটি ওয়েবসাইটে খোলামেলা কথা বলেছেন রউফ। কী বলছেন হ্য়ারিস?
পাকিস্তানের এই পেসার মনে করছেন, বিরাটের পরিবর্তে সে সময় হার্দিক পান্ডিয়া এবং দীনেশ কার্তিক ক্রিজে থাকলে পরিস্থিতি অন্য রকম হতে পারত। কোহলি ৫২ বলে ৮৩ রান করেছিলেন। টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে যা তাঁর অন্য়তম সেরা ইনিংস হিসেবে বিবেচিত। রউফ জানান, ওই ম্য়াচটার এক মাস কেটে গেলেও তিনি কোহলির প্রথম ছয়টা ভুলতে পারছেন না। এক্সপ্রেস গতির ডেলিভারি অবলীলায় স্ট্রেট বাউন্ডারিতে ছয় মারেন বিরাট।
রউফের ধারনা ছিল না যে, কোহলি এই রকম শট মারবেন। তবে ছক্কাটি নিঃসন্দেহে দারুণ ছিল। শেষ ১২ বলে ভারতের ৩১ রান প্রয়োজন ছিল। রউফ জানতেন, নওয়াজ শেষ ওভার বল করবেন। নওয়াজ একজন স্পিনার। তিনি যাতে খোলা মনে বল করতে পারেন, তার জন্য় খানিকটা রান রাখার চেষ্টা করেছিলেন।
রউফ বলেছেন যে, কোহলির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই ভালো। ২০১৮-১৯ সালে ভারতীয় টিম অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল। ওই সিরিজের সময় সিডনিতে একটা টেস্ট খেলেছিল ভারতীয় টিম। সেই সময় ভারতীয় টিমের নেটে বোলিং করেছিলেন রউফ। সে প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি তখন সিডনিতে গ্রেড ওয়ান ক্লাব ক্রিকেট খেলছিলাম। ভারতীয় দলের নেটে বোলিং করেছি। বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল এবং কোচ রবি শাস্ত্রী সে সময় আমার সঙ্গে কথাও বলেছে।
রবি শাস্ত্রী বিশ্বকাপের সময় আমাকে বলেছিলেন যে, তিনি আমার সাফল্য এবং উত্তরণ দেখে খুব খুশি হয়েছেন ৷’ রউফ জানিয়েছেন, কোহলিও তাঁর বোলিংয়ের প্রশংসা করেছেন। পাকিস্তানি পেসারকে কোহলি বলেছেন- আন্তর্জাতিক স্তরে রউফের বোলিং তাঁর ভালো লেগেছে।



