‘চাপে পড়ে বৈঠকে বসেছে’, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে মহামিছিলের ডাক DA আন্দোলনকারীদের

কলকাতা : মহার্ঘ ভাতার দাবিতে লড়াই দীর্ঘদিনের। অনশন, আন্দোলন, মামলা-মোকদ্দমার পর শুক্রবারের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে ছিলেন অনেকেই। কিন্তু সেই বৈঠক ব্যর্থ বলে দাবি করে আন্দোলনের জোর আরও বাড়াচ্ছে যৌথ মঞ্চ। একাধিক সরকারি কর্মী সংগঠনের তরফে চলছে আন্দোলন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ জানিয়েছেন, আগামী ৬ মে মহামিছিল করা হবে। কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে সেই মহামিছিল যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘বৈঠকের শুরুতেই বুঝতে পেরেছি, হাইকোর্টের নির্দেশে চাপে পড়ে বৈঠকে বসেছে সরকার। আর অবাক করা বিষয় হল, তৃণমূল ফেডারেশনের দুজনকে বসানো হয়েছিল সেই বৈঠকে সরকারকে সমর্থন করার জন্য। আদালতের নির্দেশকে অমান্য করা হয়েছে। আমরা তার প্রতিবাদও জানাই। সরকারের ন্যুনতম আইন বোধ নেই।’
আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারের গোটাটাই যে বেআইনিভাবে চলে, শুক্রবার সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এদিনের বৈঠকে ছিলেন মুখ্যসচিব, অর্থসচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিব। প্রায় ১ ঘণ্টার বৈঠক হয়। আন্দোলনকারীরা বলছেন, কোনও কথার যুক্তি গ্রাহ্য উত্তর দিতে পারেননি সচিবেরা। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অর্থ কমিশনের বরাদ্দ কোনও টাকা বাকি নেই। তবে মনরেগার টাকা বাকি আছে। আন্দোলনকারীরা জানতে চেয়েছিলেন মনরেগার সঙ্গে ডিএ-রসম্পর্ক কী। তাঁদের মতে, শাসক দলের নেতা-নেত্রীরা জনসভায় যা বলে থাকেন, সেই একই কথা বলা হয়েছে প্রশাসনের তরফেও।
বাড়ির উঠোনে চলে এসেছিল বাস্কেট বল, রাগে বাচ্চাদের উপর গুলি চালাল যুবক
উল্লেখ্য, হাইকোর্টের নির্দেশে শুক্রবার নবান্নে বৈঠক ডাকা হয়েছিল। বৈঠক শেষে আন্দোলনকারীদের তরফে জানানো হয়েছে, বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি।
উল্লেখ্য, ধরনামঞ্চ থেকেও ডিএ আন্দোলনকারীদের তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিরকুটে চাকরি পেয়ে আন্দোলন করছে বলেও তোপ দাগেন। কোনও অবস্থাতেই যে ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়, সে কথাও জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।



