তিনদিক থেকে হামলা, প্রমাণ লোপাট করতেই গ্রেনেড-স্টিকি বম্বের ব্যবহার? পুঞ্চের হামলায় চাঞ্চল্যকর তথ্য

শ্রীনগর: মদত এসেছিল পাকিস্তান থেকে। বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা করেই হামলা চালানো হয়েছিল সেনা বাহিনীর গাড়িতে। জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চে বৃহস্পতিবার প্রাণঘাতী হামলার তদন্তে নেমেই এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য় হাতে পেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা । শুক্রবারই এনআইএ-র একটি দল উপত্যকায় পৌঁছয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার জেরার জন্য কমপক্ষে ১২ জনকে আটক করেছে এনআইএ। সেনা বাহিনীর গাড়িতে হামলা এবং পাঁচ সেনার অগ্নিদ্বগ্ধ হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে তাদের কী যোগ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুঞ্চের বাতা দোরিয়ার জঙ্গল, যেখানে হামলা হয় সেনার গাড়ির উপরে, সেখানে অভিযুক্তদের খুঁজতে এমআই হেলিকপ্টার, ড্রোন ও স্নিফার ডগ নামানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এই হামলার পিছনে লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সংগঠনের হাত রয়েছে। যে ১২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে, তাদের নিরাপত্তা বাহিনীর বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকরা জেরা করছেন হামলাকারী জঙ্গি সংগঠন ও তাদের সদস্যদের চিহ্নিত করার জন্য। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, বিগত এক বছরের বেশি সময় ধরে ওই অঞ্চলে সক্রিয় ছিল জঙ্গি সংগঠন। বিভিন্ন সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপের সঙ্গে তারা জড়িত ছিল। তাদের দলে স্নাইপারও রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে হামলার ঘটনার পর শুক্রবারই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখেন জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল দীলবাগ সিং। তাঁর সঙ্গে অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল মুকেশ সিং-ও উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত করেন এআইএ-র দলের সদস্যরাও।
‘২০২৪ কেন, আমি তো এখনই মুখ্যমন্ত্রী হতে চাই’, গদি পেতেই কি দল বদলাবেন অজিত পওয়ার?
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, কমপক্ষে পাঁচ জন জঙ্গি হামলা চালিয়েছিল। সেনা বাহিনীর যে ট্রাকের উপরে হামলা চালানো হয়, তাকে তিন দিক থেকে আক্রমণ করা হয়েছিল। হামলার পর জঙ্গিরা গ্রেনেড ও স্টিকি বম্ব ব্যবহার করে গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘঠায়, যার জেরে আগুন লেগে যায়।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের খোঁজে স্নিফার ডগ নামানো হয়েছে। পাশাপাশি এমআই হেলিকপ্টার দিয়ে গোটা এলাকার রেইকি করা হচ্ছে। উচ্চ সতর্কতা বা হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে সীমান্তবর্তী দুই জেলা রাজৌরি ও পুঞ্চে। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে নিয়ন্ত্রণ রেখাতেও।


