কবিগুরুর প্রয়াণ দিবস পালিত হলো ক্যানিং ভবানী চাইল্ড ইনস্টিটিউট স্কুলে

আজ ২২শে শ্রাবণ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে কবিগুরু স্মরণে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৪তম প্রয়াণ দিবস পালিত হলো ক্যানিং ভবানী চাইল্ড ইনস্টিটিউট স্কুলে। সমগ্র অনুষ্ঠানে আয়োজনে অংশগ্রহণ ছিলেন ক্যানিং মহকুমা তথ্য সংস্কৃত দপ্তর।বহু প্রতিভার এক আপন সত্ত্বার অধিকারী এই কবি তার প্রতিভার আলোয় উদ্ভাসিত করে বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছিলেন বিশ্ব দরবারে। পেয়েছিলেন বিশ্বকবির সম্মান। তিনি বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ কবি। তার স্মরণে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পালিত হলো কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়ান দিবস । উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং মহকুমা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক আইনুল হক, এছাড়াও ছিলেন সুন্দরবন বিষয়ের গবেষক ও সমাজসেবী ক্ষিতীশ বিশাল , স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বদেশ রায় মহাশয় । অনুষ্ঠানটি শুরু হয়েছিল কবিগুরুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে প্রদীপ উজ্জলন অতিথি সংবর্ধনা ও বিশিষ্ট অতিথিদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের শিশুমনে প্রতিভাকে তুলে ধরেছিলেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মধ্য দিয়ে , যেমন ছিল নৃত্য, আবৃত্তি , সহ শিশুদের কন্ঠে রবীন্দ্র সংগীত। ঝিরিঝিরি বর্ষার মধ্য দিয়ে প্রায় চার ঘন্টা পালিত হলো কবিগুরুর স্মরণে প্রয়ান দিবস । আর এই সংবাদটি পরিবেশন করতে গিয়েই মনে পড়ছে সেই রবি ঠাকুরের বর্ষার আবেগ দিয়ে লেখার কিছু কথা।
কবিগুরুর প্রিয় ঋতু ছিল বর্ষা। অজস্র রচনায় বাংলার বর্ষাকে তিনি অনিন্দ্যসৌন্দর্যে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। আজ ২২ শ্রাবণ বুধবার তার ৮৪তম প্রয়াণ দিবস। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে এই বর্ষা ঋতুতেই চিরবিদায় নেন কবি। কবিগুরুকে স্মরণ করতেই হলে এ কথাটুকু বলতে হবে ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় তার ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বলা হয়ে থাকে, রবীন্দ্রনাথের লেখার প্রধান উপজীব্য ছিল জীবনানুভুতি যেখানে বাঙালির জাতিসত্তা, আশা-আকঙ্খা-নিরাশার আবেদনগুলো স্পষ্টভাবে ওঠে এসেছে। এটি এমন প্রবলভাবে এসেছে যে তিনিই হয়ে ওঠেছেন বাঙালির জাতিসত্তা ও বোধের এক অপার আধার।



