পূর্ব মেদিনীপুরের তমুলকে বৃক্ষ রোপন।
প্রদীপ কুমার মাইতি:দীর্ঘ আট মাস অতিক্রান্ত করল কোভিড ১৯. তবু বিরামহীন তাঁর পথচলা, সে তাঁর আপনগতিতে মানুষকে নিজের মারন তিরে বদ্ধ করে চলেছে। যাঁর ফলে স্তব্ধ হয়ে যাওয়া মানুষের স্বাভাবিক গতি আবার নতুন করে এগিয়ে নিয়ে চলেছে তবে তা সামাজিক বিধি নিষেধ মান্য করে। হয়তো সেই মেলার ভিড় আর জমে উঠবে না, হয়তো মানুষের কোলাকুলি আর হবে না, তবে সম্পর্ক থাকবে সকলের সাথে যাঁর মধ্যে দূরত্ব বজায় থাকবে। তবে জমজমাট মেলা না হোক সামাজিক কর্মকাণ্ডে বাধা নেই, তাই করোনাকে উপেক্ষা করে এবার তমলুকের তাম্রলিপ্ত বইমেলা কমিটি উদ্যোগ নিয়েছে বনসৃজনের। তাঁরা তমলুকে রাস্তার মাঝে ওয়াল দেওয়া সরকারি বনসৃজনের স্থানে বেশকিছু সংখ্যক চারাগাছ লাগানোর উদ্যোগ নেয়। এমনিতেই লকডাউনের আগে বিভিন্ন জায়গায় কিছু মানুষ হাজার হাজার গাছ কেটে পরিবেশকে দুর্বিষহ করে তুলেছিল,তবে করোনার আবহে এখন কম হলেও, হয়তো কোথাও কোথাও এখনও গোপনে গাছ কেটে পাচার হয়ে যায়,যা আমাদের অগোচরে। তাই পরিবেশ রক্ষার কথা মাথায় রেখে তাম্রলিপ্ত মেলা কমিটির সদস্যরা তমলুকে বনসৃজনের উদ্যোগ নিয়ে বৃক্ষ রোপন করে। কমিটির প্রত্যেকেই মাক্স পরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পরিবেশ রক্ষা করার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামেন।



