গ্রামের পাতায়

বিদ্যুতের বিল নিয়ে হেনস্থা গ্রাম গঞ্জের

সারাবিশ্বে করোনাভাইরাসফলে লকডাউন লকডাউনের সর্বস্বান্ত হয়েছে সাধারণ মানুষ এরপরেও সুন্দরবন এলাকায় আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে আরো বেশি সর্বস্বান্ত হয়েছে এত এলাকার মানুষেরা।এরপরে বিদ্যুতের বিলের মাসল চাপিয়ে দিয়ে হয়রানি করছে বহু মানুষকে।

এক সাংবাদিক পরিবারের অবস্থা বেহাল তার পরেও তার বাড়িতে বিদ্যুতের বিলের  বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে, জবরদস্ জবরদস্ত বিদ্যুৎ এর আগে চাপিয়ে দিয়ে মোটা টাকা মুনাফা লুটে ছিল , এই সাংবাদিক পরিবার কাছে।অসুস্থ সাংবাদিক পরিবারে অনেকেই, চিকিৎসা খরচ যোগাতে হিমশিম খাচ্ছে, তবুও বিদ্যুতের দপ্তর হল কারা পাবে কে বারবার হেনস্থা করার চেষ্টা করছে। সাংবাদিক পরিবারের বিদ্যুতের বিলের বোঝাতে পারছেনা মওকুফের দাবি করেছেন।

 

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ কোম্পানি লিমিটেডের দেশপ্রাণ ব্লকের মুকুন্দপুর কাস্টমার কেয়ার সেন্টার কর্মীর অভাবে ধুঁকছে। অনুমোদিত ১৮ জন কর্মীর জায়গায় বর্তমানে কর্মী সংখ্যা মাত্র ৩ জন।

দেশপ্রাণ ব্লকের হাজার হাজার গ্রাহকদের বিল প্রনয়ণ, জমা দেওয়া ও মেরামতী ইত্যাদি পরিষেবা হয়রানির শেষ নেই। সঠিকভাবে নিয়মিত মিটার রিডিং না হওয়ায় বিদ্যুৎ বিলের মাথামুণ্ডু থাকে না।

অাবার বিল জমা দেওয়ার পরেও অনলাইনে হিসাবের গরমিল হামেশাই ঘটে চলেছে। কর্মীর অভাবে ক্যাশ কাউন্টারের সামনে ঘন্টার পর দাঁড়িয়ে থেকে গ্রাহকদের হয়রানির শিকার হতে হয়।এমনিতেই বিদ্যুৎ মাশুল সারা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে বেশী।

গোদের উপর বিষ ফোঁড়া র মত মাসে মাসে বিদ্যুৎ বিলের পরিবর্তে ত্রৈমাসিক বিলের জন্য গ্রাহকদের উচ্চ হারে বিদ্যুৎ মাশুল গুনতে হয়। বিদ্যুৎ বিলের হিসাবের গরমিল নিয়ে শতাধিক গ্রাহক মুকুন্দপুর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে বিক্ষোভ দেখান।

প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের প্রতিনিধিদের নিয়ে স্টেশন ম্যানেজার সত্যেন্দ্র নাথ দে’র সাথে অালোচনা করেন।মুকুন্দপুর বিদ্যুৎ গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের অাধিকারিক(ম্যানেজার) কর্মী সংকটের কথা স্বীকার করেন।

তিনি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা র অাশ্বাস দিলে গ্রাহকেরা শান্ত হন।সিপিঅাইএম নেতা মামুদ হোসেন বলেন বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিষেবা প্রয়োজনীয় কর্মীর অভাবে তলানিতে ঠেকেছে। বেশী বিদ্যুৎ মাশুল গুনেও কর্মীর অভাবে গ্রাহকদের হয়রানির শেষ নেই।

সিপিঅাইএম নেতা তথা প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎ মন্ত্রী কে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়ে মুকুন্দপুর সহ কাঁথি ও এগরা মহকুমা র সমস্ত বিদ্যুৎ দপ্তরে প্রয়োজনীয় কর্মী নিয়োগ সহ বিদ্যুৎ বিল মাসে মাসে পাঠানো ও উন্নত পরিষেবা সুনিশ্চিত করার দাবী জানিয়েছেন।

Related Articles

Back to top button