ভোটের আগেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে খুন মুর্শিদাবাদে

হরিহরপাড়া :ভোট তো শেষের দিকে যাচ্ছে ততই যেন খুনের সংখ্যা বেড়েই চলেছে, রাজনৈতিক এই হিংসা কে বন্ধ করতে ব্যর্থ পুলিশ প্রশাসন এর প্রশ্নের জবাব দেবে কে। যতদিন এগিয়ে চলেছে ততই মানুষ যেন হতাশ । ভোট গণনার পরেও খুনের পরিকল্পনা আরো মর্মান্তিক আকারে নেবে।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে উতপ্ত মুর্শিদাবাদ।
ভোটের আগেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে খুন মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় এক কংগ্রেস কর্মী। ঘটনার তদন্ত শুরু করে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছ বিশাল পুলিশ বাহিনী।
ঘটনার প্রতিবাদে এদিন সকালেই রাস্তা অবরোধ করে কংগ্রেস এবং সিপিআই(এম) কর্মী সমর্থকরা।
কংগ্রেস প্রার্থী মীর আলমগীর পলাশ বলেন, হরিহরপাড়ার নিয়ামত সেখের নেতৃত্বে সন্ত্রাসের রাজত্ব নিয়ে আসা হয়েছে। পিছিন থেকে হামলা করে বোম মারা হয়েছে কংগ্রেস কর্মীর উপর।
ঘটনায় সিপিএম কংগ্রেসের তরফে হরিহরপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সাত জন তৃণমূল কর্মীকে আটকও করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনায় তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
হরিহরপাড়া থানা এলাকায় এক কংগ্রেস কর্মীকে বোমা মেরে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানার অন্তর্গত বিলধারীপাড়ার ঘোষালপুর এলাকায়। মৃত কংগ্রেস কর্মীর নাম আবুল কাশেম।
পরিবার সুত্রে খবর মসজিদ থেকে তারাবীর নমাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন কাশেম। ঠিক তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বোমার আঘাতে জখম কাশেম আলিকে বহরমপুর মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হরিহরপাড়া থানার পুলিশ।
যদিও বোমবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নিয়ামত সেখের দাবি গ্রাম বিবাদের জেরেই এই ঘটনা । রাজনৈতিক হিংসার রং লাগানো হচ্ছে ভোটকে কেন্দ্র করে। এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হরিহরপাড়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।
উল্লেখ্য হরিহরপাড়া কান্দী, বড়ুঞা ইত্যাদি বিধানসভাতে অষ্টম দফার নির্বাচন আগামী ২৯শে এপ্রিল। তার দশ দিন আগে বোমা হামলা এবং মৃত্যু কংগ্রেস কর্মীর! মুর্শিদাবাদ জুড়ে আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে!
বড়ুঞ : অন্যদিকে প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে এক তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বড়ঞা বিধানসভার অন্তর্গত ভবানীপুর গ্রামে। দলীয় সূত্রে খবর, প্রচার সেরে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল কর্মী দলু শেখ। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। গুরুতর জখম হয়ে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।
ঘটনা প্রসঙ্গে বড়ঞা কেন্দ্রে তৃণমূ প্রার্থী জীবনকৃষ্ণ সাহা জানিয়েছেন, “দলু শেখ আমাদের কর্মী। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে।” অভিযোগের তির স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের দিকে। তবে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


