জেলা

নদীর জল ঢুকে প্লাবিত হয়েছে ক্যানিংয়ের লাগোয়া বিস্তীর্ণ এলাকা

ওয়েবডেস্ক: আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’। ওড়িশার বালেশ্বরে হল ল্যান্ডফল। স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সময় গতিবেগ ছিল ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা। কলকাতা রক্ষা পেলেও পূর্ব মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলায় এর বেশ ভাল প্রভাব বেশ পড়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত দক্ষিণ ২৪ পরগনা। নামখানা, গঙ্গাসাগরের সাউঘেরি, মুড়িগঙ্গা, শীলপাড়া, কচুবেড়িয়া, মহিষামারী, সুন্দরবনের পাথরপ্রতিমা, সাগর, বকখালি, ক্যানিং, বাসন্তী, গোসাবা সহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

গতকাল থেকেই এলাকায় জল ঢোকা শুরু হয়েছিল। রাত গড়াতেই তা আরও বাড়ে। একেই ভারী বৃষ্টি তার সঙ্গে হাওয়ার তীব্র দাপট। লন্ডভন্ড করে দেয় গোটা এলাকা। এরই সঙ্গে পূর্ণিমা। ত্রয়ী হয়ে গোটা এলাকা তছনছ করে ‘ইয়াস’। কার্যত গোটা এলাকা জলের তলায়। শেষ সম্বলটুকু নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ছবিতে দেখা গেল একটি শিশুসহ আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা নিয়ে নিরাপদ স্থানে যাচ্ছেন এক স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও পঞ্চায়েতে সদস্যরা। রাতের জোয়ারে বেশ কিছু জায়গায় ভাঙা বাঁধ দিয়ে জল ঢুকে পড়ে গ্রামে। বেশ কিছু জায়গার বাঁধ ভেঙে পড়ারও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে হোগলা নদীর জল ঢুকে প্লাবিত হয়েছে বাসন্তীর লাগোয়া বিস্তীর্ণ এলাকা। একই অবস্থা কুলতলি বিধানসভার বিভিন্ন এলাকার। সেখানকার ৭/৮ জায়গায় বাঁধ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ডায়মন্ড হারবারের পরিস্থিতিরও অবনতি হতে শুরু করেছে। হুগলি নদীতে জলস্ফীতির জেরে জলমগ্ন হয়েছে ডায়মন্ড হারবারের বেশ কয়েকটি এলাকা। সেখানে হুগলি নদীর জলস্তরও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। তবে কাকদ্বীপে জেটিও জলের তলায়। গত বছরে আমফানের পর বছর কাটতে না কাটতেই আবার ভিটেমাটি ছাড়া এই পরিবারগুলি। ভেঙে পড়েছে একাধিক বাড়িও। সঙ্গে জলের তলায় বেশ কিছু বাড়ি-ঘর।

অন্যদিকে ক্যানিং মহাকুমার প্রত্যেকটি ব্লকে জলসাতে হয়েছে ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত, গোসাবা, বাসন্তী  প্রায় জলের তলায় ডুবে গিয়ে কৃষিজমি, পুকুর, খাল, বিল রাস্তাঘাটে সবই জলে লামায় ,মৎস্য মৎস্যচাষীদের মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে, প্রচন্ড হারে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এলাকার চাষআবাদ। সমস্ত বিষয়ে সুন্দরবনের খতিয়ে দেখছেন ইয়ার্স ঘূর্ণিঝড়ের পরে ক্যানিং মহকুমার শাসক ও অতিরিক্ত জেলা শাসক উন্নয়ন সাহেব নিজেই।

Related Articles

Back to top button