বিক্ষুব্ধ মৌসুনি বাসী ত্রাণ নয় চায় পাকাপোক্ত নদী বাঁধ ।

কয়েকদিন আগে মৌসুনি বাসি কাতর প্রার্থনা আমরা আর কতদিন থালা হাতে দাঁড়িয়ে থাকবো ,দুটো অন্য খাওয়ার জন্য। কেনই বা সরকারপক্ষ আমাদের নদীবক্ষে কংক্রিট করছে না। কেনই বা আমরা দ্বীপবাসী সুস্থ ভাবে বসবাস করতে পারবে না। বছরের-পর-বছর বেদনা আর উত্তেজনা হতাশ আর আতঙ্কে জীবন-যাপন করছে দীপবা।
এমন করুণ দৃশ্য যা মানুষ চোখে দেখলে, বড় কষ্ট হয়। তবুও কি রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের হুশ ফিরছেনা। দুবেলা-দুমুঠো খাবার জন্য নদীর প্রান্তে থাকে দাঁড়িয়ে আছে কখন ত্রাণ আসবে। যেদিন না ত্রাণ আস। সে দিনগুলো পেটে হাত দিয়ে জরাজীর্ণ নদীর দুধের উপরে শুয়ে পড়তে হয় দ্বীপবাসীর।
অভক্ত অনাহারে আবার আন্দোলনের পথে মৌসুনি বাসি আয়লা ফনি বুলবুল আম্ফান বারংবার ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে মৌসুনি বাসি। এই দ্বীপে বহুবার এসেছিলেন বারংবার সাগরের এম এল এ বর্তমান সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা বিগত দিনে। তখন জিবিডি চেয়ারম্যান বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা, জিবিডি এ চেয়ারম্যান থাকাকালীন বারংবার মৌসুনি বাসি প্রশাসনিক আধিকারিকদের এবং বর্তমান সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা ও প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টু রাম পাখিরা কে বারংবার নদী বাঁধ নিয়ে মৌসুনি দ্বীপের দ্বীপবাসীরা আবেদন জানান। তবুও কংক্রিট নদীবাঁধ হয়নি তেমনি অভিযোগ বাসিন্দাদের। কারো জরে প্রার্থনা করছে মন্ত্রীবর্গ কাছে যাতে তাদের নদী বাঁধ গুলি পাকাপোক্ত হয়, কিছুটা হলে স্বাভাবিক জীবনযাপনে তারা করতে পারে, কারণ ভরা কোটাল এবং বিভিন্ন সময়ে নদী বাঁধ ভেঙ্গে জল ঢুকে প্লাবিত হয় মৌসুনি দ্বীপ। এই আবেদন কর্ণপাত করেনি প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে নেতা-মন্ত্রীরা । বিভিন্ন সময় আন্দোলনের পথে নামতে হয়েছে দীপ বাসীদের। একই ভাবে মৌসুনিবাসী কে আবারও আন্দোলনের পথে নামল মৌসুনি বাসি। আবার মৌসুনির বালিয়ারাতে আন্দোলনে মৌসুনি বাসি।
সংবাদ মাধ্যমে মৌসুনি দ্বীপে ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ে ধ্বংসলীলা দেখে প্রথমদিন থেকে সাহায্যের ত্রান সামগ্রী নিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের পাশে দাড়িয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী রাজেশ ক্ষেত্রী। জলোচ্ছ্বাসের মূল কারণ, সেখানকার ভাঙা কাঁচা নদী বাঁধ নিয়ে প্রথম থেকেই সোচ্চার হয়েছিলেন। তাও ঘুম ভাঙেনি প্রসাশনের। বাধ্য হয়ে সল্টলেকের বাসিন্দা বিশিষ্ট আইনজীবী রাজেশ ক্ষেত্রী মৌসুমি দ্বীপের মানুষের স্বার্থে পাকা বাঁধ নির্মানের জন্য সোমবার জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে চলেছেন কলকাতা হাইকোর্টে।


