গ্রামের পাতায়

দেশে করোনা মহামারিতে রুগ্ন সকল সার্কাস শিল্পের পাশে স্বপন দত্ত বাউল

সংবাদদাতা —দেশে করোনা মহামারী প্রকোপে সকল শিল্প ও মানুষের জনজীবনের গতিপথের চাকা একেবারে স্তবদ্ধ হয়ে গেছে। ঠিক তেমনি সার্কাস শিল্প কে বাঁচিয়ে রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে । সার্কাস শিল্পের এই চরম দুঃসময়ে পূর্ব বর্ধমানর আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ,রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্মানিত, নিঃস্বার্থ বিনাপারিশ্রমিকে সমাজ সচেতনের ও সমাজের কুসংস্কার কুপ্রথা দূরীকরণের রাজ্যের সেরা বাউল শিল্পী স্বপন দত্ত এগিয়ে এলেন নিজেরই উদ্যোগে । সার্কাসের কলা কুশলী দের ও সার্কাসের সকল কর্মী দের এই চরম দুর্দশা দেখে আর ঘরে আর বসে থাকতে পারলেন না । স্বপন দত্ত বাউল সার্কাসের বর্তমান কষ্টের জীবন কে নিয়ে নিজে গানলিখে সুর করে বাউলগানে তাকে রাষ্ট্রপতির পুরস্কার দেওয়া একতারা ও কোল ডুগি বাজিয়ে পায়ে ঘূগুর পরে তালে তালে নৃত্য করে গান ধরলেন পথে পথে ।

করোনার জন্য লকডাউনের জন্য অন্য জেলায় যেতে না পারলেই বা যেহেতু সার্কাস শিল্প সারা দেশের ও সারা রাজ্যের এক অমূল্য সম্পদ তাই তিনি বর্ধমানের পথে পথে গানে গানে ঘুরছেন সার্কাস শিল্প কে বাঁচিয়ে রাখার জন্য বাউলগানে সচেতনের বার্তা দিতে স্বপন বাউল । সার্কাস শিল্পের কলা কুশলীদের ও সকল কর্মীদের সার্কাস শো বন্ধ তাই তাদের রুজিরোজগার , আয়, উপায় ও সব বন্ধ । সার্কাস শিল্প নিয়ে বাউলগানে ও মূল্যবান বক্তব্য রেখে সারা দেশের উদ্দেশ্যে বার্তা দিচ্ছেন যে সার্কাস শিল্প কে বাঁচিয়ে রাখুন । পশু পাখির খেলা নিষিদ্ধ হওয়ায় সার্কাস দেখার কদর কমেছে তাই রাজ্য সরকারের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ও কেন্দ্র সরকার কে সার্কাস শিল্প কে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে অনুরোধ করেন ও জনগণ কে সার্কাস শিল্প কে বাঁচানোর জন্য সার্কাস দেখতে হবে বলেন । সার্কাস শিল্পে কত কলা কুশলীরা ও কত কর্মচারী রা কাজ করেন রুজি রোজগারের জন্য ।

একে তো করোনা লকডাউন এ সার্কাস শিল্প বসে বসে শেষ হয়ে যেতে চলেছে , মুখ থুবড়ে পড়েছে । তাই সার্কাস শিল্প কে বাঁচিয়ে রাখার জন্য স্বপন দত্ত বাউলের নিঃস্বার্থ সচেতনের বার্তা বাউলগানে দেশবাসী ও সরকারের উদ্দেশ্যে এরই মধ্যে সোস্যাল নেট ওয়ার্কে সাড়া ফেলে দিয়েছে। স্বপন বাউল বার বার তার স্বরচিত বাউলগানে ও বক্তব্যে বলেছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনগণের জন্য ও অনেক ছোটখাটো শিল্পের জন্য সবসময় কত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে চলেছেন। তাই মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী যদি সার্কাস শিল্প কে বাঁচিয়ে রাখতে আর্থিক সাহায্য করেন ও জনগণ দর্শকরা সকলে মিলে সার্কাস দেখেন তা হলে সার্কাস শিল্প আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে । আর জনগণ দর্শকবৃন্দ ও দেশের ও রাজ্যের সরকার পাশে না দাঁড়ালে আর্থিক সাহায্য না করলে স্বপরিবারে ছেলে মেয়ে মা বাবা দাদু দিদা কে নিয়ে এমন সুন্দর রোমহর্ষক খেলার শিল্প বন্ধ হয়ে যাবারই মুখে। তাই স্বপন দত্ত বাউলের মতো সকল দর্শকবৃন্দ জনগণ ও সরকার সার্কাস শিল্পের পাশে দাঁড়িয়ে সার্কাস শিল্প কে বাঁচান ও সার্কাসে কর্মরত অসংখ্য কর্মচারী ও খেলা দেখান সেইসমস্ত শ্রদ্ধেও প্রতিভাবান শিল্পী, কলাকুশলী দের জীবনে বাঁচাতে , দুমুঠো অন্ন জোগাড় করতে ও রুজি রোজগার করতে পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেওয়া দেখে সার্কাস পরিবাররা বুকে বল সাহস ও ভরসা পাচ্ছেন ।

কারণ স্বপন দত্ত এমনই একজন সমাজসেবক বাউল যাকে দেশের ও রাজ্যের সরকার পক্ষ ভালোবাসেন ও সম্মান করেন তাই তার জনগণের জন্য শিল্প ও শিল্পীদের কলাকুশলী দের বাঁচানোর জন্য অনুরোধ এর আগে সরকার রেখেছেন ঠিক তেমনি সার্কাস শিল্প কে বাঁচাতে সরকার ঠিক পাশে দাঁড়াবেন স্বপন বাউলের বার্তা কে সম্মান দিয়ে সকল সার্কাস পরিবারের এই আশা।।

Related Articles

Back to top button