জেলা

গৃহবধূকে আত্মহত্যার প্ররোচনায় ধৃত স্কুল শিক্ষক স্বামী জয়নগরে

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,জয়নগর : গৃহবধূকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ধৃত স্বামী জয়নগরে। পুলিশ ও স্থানীয় সূএে জানা গেল, ২০০২ সালে জয়নগর মজিলপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের মাহিয্য পাড়ার বাসিন্দা বাপী চন্দ্র মন্ডলের সাথে জয়নগর থানার নারায়নীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁটাপুকুরিয়ার বাসিন্দা নন্দিতা তরফদারের বিবাহ হয়। তাদের ১৭ বছরের একটি পুএ সন্তান আছে। বাপী মজিলপুর জে এম ট্রেনিং স্কুলের একজন পার্শ্বশিক্ষক।

নন্দিতার দাদা স্বপন কুমার তরফদার বলেন, নন্দিতা আমার ছোট বোন।বিয়ের পরে ৫-৬ বছর আমার বোন ও জামাই বাবুর মধ্যে খুব ভাব ভালোবাসা ছিল।কিন্তু তাঁর পর থেকে যত দিন এগিয়ে যেতে লাগলো ওদের মধ্যে সাংসারিক দূরত্ব বাড়তে থাকে। টাকা পয়সা নিয়ে প্রায় দিন অশান্তি লেগে থাকতো। আমার বোনের উপর মানসিক ও শারিরীক অত্যাচার করতো আমার জামাই বাবু বাপী চন্দ্র মন্ডল (৫১)। আর ক্রমাগত এই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে রবিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ আমার বোন নন্দিতা মন্ডল (৪৫)শশুর বাড়িতে মিউরিক এ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যা করে। আমরা খবর পেয়ে তৎক্ষনাৎ স্থানীয় নিমপীঠ রামকৃষ্ণ গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি করাই।

কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার কথা বলেন।আমরা আর দেরী না করে বারুইপুর হাসপাতালে ভর্তি করাই। সেখানে সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টা নাগাদ আমার বোনের মৃত্যু ঘটে।আমি চাই আমার বোনের খুনির উপযুক্ত শাস্তি হোক।মৃতের দাদা সোমবার জয়নগর থানায় জামাইবাবু বাপি চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর জয়নগর থানার পুলিশ অভিযুক্ত বাপীকে গ্রেফতার করে। ধৃতের বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতন ও আত্মহত্যার প্ররোচনার যুক্ত থাকার মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃত দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। ধৃতকে মঙ্গলবার বারুইপুর মহকুমা আদালত পাঠানো হয়।

Related Articles

Back to top button