সরষে ছড়িয়ে ভূত.দিলীপ ঘোষ
হুগলি: সিঙ্গুরে (Singur) টাটা কারখানার জমিতে মাছের ভেড়ি এ যেন এক উল্টো পুরান। মাটি কাটার কাজ চলছে আপাতত। কারখানার বদলে ভেড়ি? বিরোধীদের । দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, ভেড়ি যেখানে চলার কথা সেখানে লুঠ হয়ে যাচ্ছে। আর যেখানে তিএবার এই প্রশ্নের অস্ত্রেই শান দিচ্ছে। রবিবার চন্দননগরে ভোট প্রচারে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেখানেই তিনি এই ভেড়ি নিয়ে তুমুল কটাক্ষ করেন রাজ্য সরকারকে। বলেন, কারখানার স্বপ্ন শেষ করে সে জমিতে ভেড়ি বানাতে উৎসাহ দিচ্ছে সরকার ফসলি, চার ফসলি জমি সেখানে কি না ভেড়ির স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন চাষি উদ্যোগী হয়েছেন মাছ চাষে। শনিবার থেকে শুরু হয়েছে পুকুর খননের কাজ। বড় বড় জেসিবি মেশিন দিয়ে চলছে পুকুর খনন। মাছ চাষে আগ্রহী এক চাষির দাবি, এই এলাকায় চাষ করা সম্ভব নয় এবং বহু জমি এখনও পর্যন্ত চাষ উপযোগী করে দেওয়া হয়নি। তাই জমি ফেলে না রেখে মাছচাষেই রাজি হচ্ছেন। সে কাজ ইতিমধ্যেই শুরুও হয়ে গিয়েছে। তাঁর বিশ্বাস, আগামিদিনে আরও অনেকেই এ পথে হাঁটবেন।সিঙ্গুরে টাটাদের প্রস্তবিত কারখানার জন্য যে জমি, সেখানেই মাছ চাষের ভেড়ি তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছেন চাষিরা।
আর তাতে সমস্ত রকম সহযোগিতা করছে রাজ্য সরকার। সিঙ্গুরের পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ দুধকুমার ধারার কথায়, পুকুর খনন থেকে শুরু করে আগামী তিন বছরের জন্য মাছের চারা, মাছের প্রয়োজনীয় খাবার, সার, ঔষধ বিনামূল্যে দেবে রাজ্য সরকার। প্রশাসন সূত্রে খবর, যেসব চাষিদের তিন বিঘার উপর জমি আছে, তাঁরা এই আবেদন করলে মাছ চাষের জন্য সমস্ত সুবিধা পাবেন। জেলার অ্যাগ্রো ইরিগেশন দফতরের উদ্যোগে একটি কমিটিও গঠন করা হবে চাষিদের নিয়ে।
একইসঙ্গে জল ধরো, জল ভরো প্রকল্পও সমান্তরালভাবে চলবে।দুধকুমার ধারার কথায়, “সরকারের আত্মিক প্রকল্পে এই কাজ হবে। হুগলিতে অফিস আছে। সেখান থেকে চাষিদের দিয়ে একটা কমিটি তৈরি করা হবে। তিন বিঘা বা তার বেশি জমি হলে ভাল হয়। সরকারের তরফে পুকুর খনন করে দেওয়া হবে। সেই জলে মাছ চাষও হবে, অতিরিক্ত জল চাষের কাজে ব্যবহার করতে পারবে। আমরা জমিগুলোকে চাষযোগ্য করছি। মাছ চাষও একটা চাষ।”সিঙ্গুরে টাটাদের প্রস্তবিত কারখানার জন্য যে জমি, সেখানেই মাছ চাষের ভেড়ি তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছেন চাষিরা। আর তাতে সমস্ত রকম সহযোগিতা করছে রাজ্য সরকার।
সিঙ্গুরের পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ দুধকুমার ধারার কথায়, পুকুর খনন থেকে শুরু করে আগামী তিন বছরের জন্য মাছের চারা, মাছের প্রয়োজনীয় খাবার, সার, ঔষধ বিনামূল্যে দেবে রাজ্য সরকার। প্রশাসন সূত্রে খবর, যেসব চাষিদের তিন বিঘার উপর জমি আছে, তাঁরা এই আবেদন করলে মাছ চাষের জন্য সমস্ত সুবিধা পাবেন। জেলার অ্যাগ্রো ইরিগেশন দফতরের উদ্যোগে একটি কমিটিও গঠন করা হবে চাষিদের নিয়ে। একইসঙ্গে জল ধরো, জল ভরো প্রকল্পও সমান্তরালভাবে চলবে।কিন্তু ন্যানো গাড়ির কারখানার বদলে ভেড়ি? প্রশ্ন তুলে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ” তিন ফসলি, চার ফসলি জমিতে ভেড়ি হবে? দিদিমণি সর্ষে ছুঁড়েছেন আমরা দেখেছি। সে সর্ষের মধ্যে যে ভূত আছে এখন তা প্রমাণ হল।
কত মানুষকে উনি আর বোকা বানাবেন? সিঙ্গুরের মানুষ ওনার উপর ভরসা করে জমি ছেড়েছিলেন। এখন উনি জমিও নেই, চাকরিও নেই, ব্যবসাও নেই। জমি ফেরত চেয়েছিলেন, দিদিমণি কাগজ দিলেন। ইঁট পাটকেল গাঁথা একটা জায়গা দিলেন। সেখানে কাশফুল হয়, কোনও চাষ হয় না। মানুষকে বোকা বানিয়ে দশ বছর চালিয়েছেন। এবার মানুষের বদলা নেওয়ার দিন এসেছে।” পাল্টা তৃণমূল বিধায়ক বেচারাম মান্না বলেন, “দিলীপ ঘোষ বদ্ধ পাগলের মতো! ভোটের আগেও নানা অভিযোগ তুলেছিলেন। উনি যে বাজে কথা বলেন, গোটা বাংলা জানে। সিঙ্গুরে কী হচ্ছে না হচ্ছে সিঙ্গুরের মানুষ জানেন।”



