কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাভাষীরা
কাঁথি ও এগরা মহকুমা,চণ্ডীপুর সহ সমগ্র জেলায় বোরো চাষের পাকাধান কালবৈশাখী ও নিম্নচাপের ঝড়বৃষ্টি তে থৈথৈ জলে ভাসছে। লাগাতার ঝড়বৃষ্টিতে পাকাধান অঙ্কুরেই পরিণত হয়েছে দেশপ্রাণ,কাঁথি-১,কাঁথি-৩,পটাশপুর -১ ও ২, এগরা-১ ও ২,ভগবানপুর -১ও২,,চন্ডীপুর,রামনগর ১ও ২,খেজুরী-১ ও ২,ময়না প্রভৃতি ব্লকে পাকাধান শুধু অঙ্কুর( গজা) হওয়া নয়,চারাগাছেও পরিণত হয়েছে। কয়েক শত কোটি টাকার ফসল ঝড়বৃষ্টি তে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্হ হয়ে মাঠে লুটোপুটি খাচ্ছে। জলের মধ্যে ভেসে থাকা অঙ্কুরিত পাকাধান তুলতে চাষীদের হিমসিম অবস্থা। বোরোধান কাটাকে ১০০ দিনের কাজে অন্তর্ভূক্ত করার অাবেদনে প্রশাসনিক কোন সাড়াশব্দ ও নেই। অগত্যা লকডাউনে কর্মহীন পরিস্থিতিতে চাষীরা তাদের শেষ সম্বল বোরো ফসল হারিয়ে দিশেহারা। প্রশাসন, বিশেষ করে কৃষিদপ্তর নির্বিকার। জেলা কৃষি অধিকর্তা ও রাজ্যের কৃষি উপদেষ্টা কে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়ে কৃষি বীমা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবী জানিয়েছেন সিপিঅাইএম নেতা তথা প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন।অন্যদিকে দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার বাসন্তী ব্লকের আমঝাড়া হাটখোলায় মিঠুন সরকারের ঘরের চাল উড়ে যায় কালবৈশাখী ঝড়ে।তবে এ বিষয়ে স্থানীয় ভাবে জানা যায় সরকারের তরফ থেকে কোনো খোঁজ-খবর নেন নি কেউ। এই ঘটনা অফিসারদের কানে পর্যন্ত পৌঁছাননি বলে জানতে পেরেছে নিউজ সরাদিন ।


