‘মিরাকল’ ঘটল না, ইন্দোর টেস্টে হার ভারতের

নিজস্ব সংবাদদাতা: মিরাকলের আশা করেছিল ভারত। ৭৬ রানের পুঁজি নিয়েও ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে রুখে দিতে মরিয়া ছিলেন রোহিত শর্মারা। কিন্তু সেই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছেন ট্রাভিস হেড, মার্নাস লাবুশেনরা। উসমান খোয়াজা দ্রুত ফিরলেও অজিদের চাপ কমিয়ে টেস্ট জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন হেড, লাবুশেনরা। তৃতীয় দিনের খেলা শুরুর পর দেড় ঘণ্টাও লাগল না ইন্দোর টেস্টের ফয়সালা হতে। ৯ উইকেটে ইন্দোর টেস্ট হারল ভারত। সিরিজ ২-১ অবস্থায় রয়েছে। প্রথম দুটি টেস্টে নাস্তানাবুদ হওয়ার পর তৃতীয় টেস্ট জিতে জমি খুঁজে পেল অজিরা। পাশাপাশি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের জন্য যোগ্যতা অর্জন করে ফেলল। এদিকে তৃতীয় টেস্ট জিতলেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যেত ভারতের। এখনও সুযোগ রয়েছে টিম ইন্ডিয়ার সামনে। আগামী জুন মাসে ডব্লুটিসি ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করতে হলে আমেদাবাদে শেষ টেস্ট জিততেই হবে রোহিত শর্মা অ্যান্ড কোম্পানিকে।
অস্ট্রেলিয়ার কাছে সিরিজ জেতার সুযোগ নেই। তবে সিরিজ ড্র করার সুযোগ রয়েছে। নাগপুরের পর দিল্লি টেস্টে হারের পর অস্ট্রেলিয়া দলে আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। অনেকেই দেশে ফিরে গিয়েছেন। ব্যক্তিগত কারণে অধিনায়ক প্যাট কামিন্স দেশে ফিরে যান। এই পরিবর্তন ঘটতেই কাজ হল ম্যাজিকের মতো। স্ট্যান্ড ইন অধিনায়ক স্টিভ স্মিথের নেতৃত্বে ইন্দোর টেস্ট জিতে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যোগ্যতা অর্জন করে নিল অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শুরুতেই উসমান খোয়াজাকে ফিরিয়ে অজি শিবিরকে চাপে ফেলে দেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। এরপর আর উইকেট হারায়নি অস্ট্রেলিয়া। ট্র্যাভিস হেড তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিং এবং মার্নাস লাবুশেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে অস্ট্রেলিয়াকে জয় এনে দিলেন। হেডের অবদান ৫৩ বলে ৪৯ রান। লাবুশেন করলেন ২৮ রান।
বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির তৃতীয় টেস্টে প্রথম দিনের শেষে ব্যাকফুটে ছিল ভারতীয় দল। দ্বিতীয় দিনের শেষেও পরিস্থিতি বদল হয়নি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছিল মাত্র ১০৯ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে পূজারার (৫৯) অর্ধশতরানের সৌজন্য়ে ১৬৩ রান করে ভারত। অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ৮৮ রানের লিড নিয়েছিল। ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেট নেন নাথান লিয়ঁ। ম্যাচ সেরা হলেন তিনিই।



