গ্রামের পাতায়

কোলাঘাট বাড়বরিশা গ্রামের ঘোষ বাড়ির দুর্গাপুজো

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুরাতন পুজোর তালিকা নামের প্রথম সারিতেই নাম আসে কোলাঘাট বাড়বরিশা গ্রামের ঘোষ বাড়ির দুর্গাপুজো, জানা গিয়েছে এই পুজো শুরু হয়েছে পূর্ব পুরুষ দুর্গাদাস ঘোষের হাত ধরে, পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে পূর্বপুরুষ দুর্গাদাস ঘোষের জমিদার থেকে জমির ইজারা পেয়ে সুদূর বর্ধমান থেকে কোলাঘাটে এসে বসত বাড়ি তৈরি করেছিল ঘোষ পরিবার,

তবে থেকেই শুরু হয়েছে ঘোষ বাড়ির দুর্গাপুজো, আরো জানা গেছে এই পুজো ৩০০ বছরের পুরাতন পুজো হিসাবে পরিচিত এলাকার মানুষ সহ পার্শ্ববর্তী জেলার মানুষের কাছে, পূর্বপুরুষের রীতিনীতি মেনে প্রাচীন এই পুজো হয়ে আসছে এত দিন ধরে, অন্য দিকে এই পুজো কে ঘিরে ঘোষ বাড়ির পরিবার পরিজন সহ গ্রামের মানুষ থেকে শুরু করে পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ আনন্দে আত্মহারা হয়ে থাকে এই পুজোর কটা দিন,

নিজেদের বাড়ির আত্মীয়-স্বজনসহ বন্ধু- বান্ধবের সঙ্গে আড্ডা সহ খাওয়া-দাওয়া এবং চারিদিকে ঘোরাফেরা আনন্দ উপভোগ করা হতো, পাশাপাশি বিগত বছর গুলোতে অঞ্জলীর ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো, তবে এই বছর মহামারি ভাইরাসের ফলে কার্যত নিরাশ এলাকাবাসী, পুজো হলেও বিগত বছর গুলোর মতো সেই আনন্দ থাকছে না এবছর পূজোতে, জানা গিয়েছে পরিবারের বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনরা দেশ-বিদেশ সহ পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেই পুজোর সময় একত্রিত হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে মহামারি ভাইরাসের কারণে আসছেন না অনেকেই, অন্যদিকে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে সরকারি গার্ডলাইন অনুযায়ী পুজো মণ্ডপে

“নো এন্ট্রি জোন” করে দেওয়ায় একত্রিত ভাবে বিগত বছর গুলোর মতো পুষ্পাঞ্জলি দেখা যাবে না সেই আনন্দ, পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে স্বাস্থ্য বিধি মেনে সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এই বছর পুজোতে, সরকারি নির্দেশ অনুসারে ১০ জনের বেশি মন্ডবে প্রবেশ করতে পারবেন না তবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে সময় দূরত্ব বজায় রেখে এবং মুখে মাক্স পড়ে অবশ্যই মন্ডপে ঢোকার ব্যবস্থা করেছেন পরিবারের তরফ থেকে,

পরিবারের সদস্য পার্থসারথী ঘোষ বলেন আমরা প্রত্যেক বছর পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজন একত্রিত ভাবে মিলিত হই এই পুজোতে, তবে মহামারি ভাইরাসের কারণে এই বছর বিগত স্মৃতি হারাতে বসেছে, তবে এই বিষয় নিয়ে কিছুটা নিরাশ হলেও পূর্বপুরুষের রীতি অনুযায়ী চলছে মা দুর্গার আরাধনা।

Related Articles

Back to top button