চৈতন্য মহোৎসব – পশ্চিমবঙ্গ

পরম পূজ্য শ্রী গুরুদেবের আশীর্বাদে পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতের শঙ্কর মঠ ও মিশনে দু’দিনব্যাপী এবং হরিপালে একদিনব্যাপী চৈতন্য মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
বারাসাতে প্রায় ৬৫ জন আত্মার সুন্দর সামূহিকতা গড়ে ওঠে। প্রকৃতির কোলে, আশ্রমিক পরিবেশে যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়। পরম পূজ্য শ্রী গুরুদেবের Live প্রবচন, সামূহিক ধ্যান ও আরতি সকলের অন্তরকে আনন্দ ও শান্তিতে ভরিয়ে দেয়। বিকেলে live telecast এর মাধ্যমে পরম পূজ্য শ্রী গুরুদেবের জন্মদিন পালনে আশ্রমের সঙ্গে জুড়ি এবং সকলেরই সেই চৈতন্য বর্ষা নৈসর্গিক ভাবে প্রাপ্ত হয়ে যায়।
সেই পরম মুহূর্তে আগামী দিনের গুরুকার্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া বিষয়ে আলোচনা হয়।পরের দিন সকলেই ভোর ৫টায় পরম পূজ্য শ্রী গুরুদেবের সঙ্গে সমূহিক ধ্যানে জুড়ে একাত্ম হই এবং পরে একজন নতুন সাধিকা ডাক্তার তার অনুভূতি তুলে ধরেন সকলেই অপরিসীম আনন্দে পরম পূজ্য শ্রী গুরুদেবের জন্মোৎসব পালন করে আত্মানন্দে উদ্বেলিত হন।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, এক স্থানীয় নিউজ চ্যানেল ধ্যান সম্পর্কে সাক্ষাৎকার নেয় এবং সেই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমাদের সক্রিয় সাধকরা সারা বিশ্বে হিমালয়ান সমর্পণ ধ্যানের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অনুপ্রেরণা পান।
পরম পূজ্য শ্রী গুরুদেবের অশেষ আশীর্বাদ, কৃপা ও করুণায় সমগ্র অনুষ্ঠানটি নির্বিঘ্ন রূপে সফল ভাবে সুসম্পন্ন হয়।
পরম পূজ্য শ্রী গুরুদেবের প্রতি সহস্র কোটি প্রণাম ও হৃদয়পূর্ণ কৃতজ্ঞতা। কিছু দৃশ্য দেওয়া হলো।


