রটন্তী কালীপূজা: প্রেম থেকে শক্তির জন্ম।
ব্রজভূমির নরম বাতাসে যখন ফুলের সুবাস ভেসে আসে, তখন শুধু প্রেমের গল্পই জন্ম নেয় না—জন্ম নেয় ভক্তিরও এক অনন্ত লীলা। এই কাহিনি তেমনই এক মুহূর্তের, যেখানে রাধার প্রেম আর শ্রীকৃষ্ণের করুণা রূপ নেয় দেবীত্বের ভয়ংকর অথচ আশ্রয়দায়ী রূপে।
প্রেম ও শক্তি আলাদা নয়। যেখানে ভালোবাসা রক্ষা চায়, সেখানে শক্তি রূপ নেয় ভয়ংকরীতে। শ্রীকৃষ্ণ কালী রূপ নিয়েছিলেন রাধাকে রক্ষা করতে এবং আয়ানের চোখে খুলে দিতে ভক্তির নতুন দৃষ্টি।

কলমে ঈশানী মল্লিক
মাঘ কৃষ্ণচতুর্দশীর সন্ধিক্ষণে বিশ্বাস ও সমর্পণের মহালগ্ন মাঘ মাস। কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী। অমাবস্যার ঠিক আগের সেই সন্ধিক্ষণ—যেখানে আলো ও অন্ধকার পরস্পরের গায়ে এসে লাগে, দিন ও রাত্রির মাঝখানে জন্ম নেয় এক গভীর আধ্যাত্মিক স্তব্ধতা। এই তিথিই বাঙালির শাক্ত ও বৈষ্ণব চেতনায় এক অনন্য মহিমায় প্রতিষ্ঠিত—রটন্তী কালীপূজা।
সাধারণ কালীপূজা যেখানে অমাবস্যার অন্ধকারে অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে রটন্তী কালীপূজা হয় চতুর্দশীর সন্ধিক্ষণে। এই সন্ধিক্ষণকে বলা হয় “মহাসংযোগ”—যে সময়ে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরমা প্রকৃতি শক্তিতে লীন হন, আর সেই শক্তিরই এক অনির্বচনীয় প্রকাশ “কৃষ্ণকালী”।

কৃষ্ণকালী: শাক্ত ও বৈষ্ণবের মিলনবিন্দু
কৃষ্ণকালী বা কৃষ্ণকালিকা—তিনি কেবল কালী নন, আবার কেবল কৃষ্ণও নন। তিনি সেই পরমব্রহ্ম, যিনি রূপান্তরে লীলাময়। কালো বর্ণ, চতুর্ভুজা রূপে তিনি ধারণ করেন খড়্গ, মুণ্ড, বরাভয় ও খর্পর; আবার কোথাও কোথাও শঙ্খ ও চক্রের উপস্থিতিতে বৈষ্ণব সত্তারও ইঙ্গিত মেলে। গলায় দোদুল্যমান মুণ্ডমালা, লাল জিহ্বা, অর্ধচন্দ্র শোভিত মস্তক—এই রূপ ভয়ংকর নয়, বরং রক্ষাকারী।
শাস্ত্রধর্মী ধ্যানমন্ত্রে কৃষ্ণকালীকে বলা হয়েছে—
“গোপিনীগণ দ্বারা অর্চিতা, শ্রীরাধিকা দ্বারা পূজিতা, চতুর্বর্গ প্রদানকারিণী ব্রহ্মরূপা সনাতনী।”
অর্থাৎ তিনি ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষ—এই চার পুরুষার্থ প্রদান করেন।
পৌরাণিক কাহিনি- রাধার মানরক্ষা ও কৃষ্ণলীলার রহস্য:

মুরলীর ডাক — রাধার উতলা হৃদয়
দ্বাপর যুগের সেই এক বিকেল। নন্দকুলের আকাশে হঠাৎ ভেসে ওঠে শ্রীকৃষ্ণের মুরলীর সুর। সেই সুর যেন হৃদয়ের গভীরে আঘাত করে। রান্নাঘরের কাজে ব্যস্ত রাধার কানে পৌঁছাতেই তাঁর মন ছুটে যায় কাননের পথে। সখীদের সঙ্গে তিনি ছুটে যান কুঞ্জের দিকে, যেখানে প্রেম আর ভক্তির মিলন ঘটে নীরব ছায়ার নিচে।

সন্দেহের আগুন — কুটিলা ও জটিলার ষড়যন্ত্র:
রাধার এই গমন দেখে কুটিলা আর জটিলার মনে জন্ম নেয় সন্দেহ। তারা আয়ান ঘোষের কানে বিষ ঢালে—
“রাধা কি সত্যিই শ্যামা মায়ের পূজায় গেছে, নাকি শ্যামের টানেই?” এই কথায় আয়ানের মনে জ্বলে ওঠে রাগের আগুন। লাঠি হাতে সে প্রতিজ্ঞা করে—আজ সে নিজের চোখেই সত্য দেখবে।

বিলাস কুঞ্জে আতঙ্কের ছায়া:
কালিন্দীর তীরে তখন সখীরা ফুল তুলছে। রাধা সাজাচ্ছে তার প্রিয় কানাইকে। সেই শান্ত মুহূর্তে দূর থেকে ভেসে আসে ভারী পায়ের শব্দ। সখীদের মুখে আতঙ্ক—আয়ান আসছে। রাধা কাতর দৃষ্টিতে তাকায় শ্রীকৃষ্ণের দিকে।
দেবীত্বের প্রকাশ — শ্রীকৃষ্ণ থেকে মা কালী:

সেই সংকটময় মুহূর্তে শ্রীকৃষ্ণ এক অলৌকিক লীলা করেন। তিনি পরিগ্রহ করেন পরমা প্রকৃতি কালিকার রূপ। কুঞ্জবন ভরে ওঠে অতীন্দ্রিয় আলোয়। শ্রীকৃষ্ণের দ্বিভুজ দেহ রূপ নেয় চতুর্ভুজে। মুরলী হয়ে ওঠে অসি, ফুলের মালা রূপান্তরিত হয় নৃমুণ্ড মালায়। কপালে জ্বলে ওঠে অর্ধচন্দ্র, এলোকেশী কেশে ভরে যায় আকাশ-বাতাস। প্রেমের কানাই তখন আর শুধু রাখাল নন—তিনি সর্বশক্তিময়ী মা কালী। রাধারানী তখন কৃষ্ণকালী রূপিণী দেবীর পূজায় মগ্ন।

আয়ানের উপলব্ধি — ভক্তির জন্ম:
আয়ান ঘোষ—যিনি নিজে ছিলেন পরম কালীভক্ত—এই দৃশ্য দেখে অভিভূত হন। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর স্ত্রী কালীসাধনায় রত। সমস্ত অভিযোগ মুহূর্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। জটিলা ও কুটিলা জ্ঞান হারান। কুঞ্জদ্বারে এসে আয়ান থেমে যায়। লাঠি পড়ে যায় হাত থেকে। চোখে জল, কণ্ঠে কাঁপন। সে বুঝে যায়—এ তার সারাজীবনের আরাধ্য দেবী। রাধার দিকে তাকিয়ে সে বলে, “ধন্য তুমি রাধে। তোমার করুণাতেই আজ আমি দেবীর দর্শন পেলাম।”
রক্ষা পায় রাধার মান, মর্যাদা ও প্রেম। এই কারণেই বিশ্বাস করা হয়—রটন্তী চতুর্দশীর দিনে মা কালী ও শ্রীকৃষ্ণ যুগপৎভাবে শ্রীরাধাকে রটনা ও কলঙ্ক থেকে উদ্ধার করেছিলেন।
“রটন্তী” নামের তাৎপর্য
‘রটন্তী’ শব্দটির অর্থ—রটনা, অপবাদ বা কুৎসা। এই পূজার মাধ্যমে দেবী সেই সমস্ত অপবাদ, সামাজিক কলঙ্ক ও অকারণ ভয়ের হাত থেকে ভক্তকে রক্ষা করেন। তাই বহু পরিবারে বিশ্বাস—রটন্তী কালীপূজা করলে বদনাম, শত্রুচক্রান্ত, মানহানি ও অশুভ প্রভাব নষ্ট হয়।
পূজার রীতি ও বিধান
রটন্তী কালীপূজার প্রধান বৈশিষ্ট্য তার সন্ধিক্ষণ পূজা। মাঘ মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী গতে চতুর্দশী শুরু হওয়ার মুহূর্তে পূজা আরম্ভ হয়। সাধারণত নিশীথকাল বা গভীর সন্ধ্যায় পূজা সম্পন্ন করা হয়।
অনেক স্থানে গৃহপূজা হলেও শাক্ততীর্থ ও প্রাচীন কালীমন্দিরে এই পূজার বিশেষ আয়োজন দেখা যায়।
উপাচার
লাল জবা বা নীল অপরাজিতা, ফল, মিষ্টি, খই, বাতাসা, কোথাও কোথাও রক্তবর্ণ প্রতীকী নৈবেদ্য, প্রদীপ ও ধূপে বিশেষ গুরুত্ব আছে। বলি প্রথা স্থানভেদে প্রচলিত, তবে বহু জায়গায় প্রতীকী বা নিরামিষ নৈবেদ্যেই পূজা সম্পন্ন হয়।
রটন্তী চতুর্দশী ও দেবী বগলামুখী

একই তিথিতে স্মরণ করা হয় দশমহাবিদ্যার অন্যতম দেবী বগলামুখীর আবির্ভাব তিথিও। পুরাণ মতে, সত্যযুগে এক প্রলয়ঙ্কর ঝড়ে যখন সৃষ্টি ধ্বংসের মুখে, তখন তিনি হরিদ্রাসরোবর থেকে আবির্ভূত হয়ে স্তম্ভন শক্তির মাধ্যমে বিপর্যয় রোধ করেন।
বগলামুখী ‘স্তম্ভন শক্তি’র দেবী—যিনি শত্রুর বাক্, বুদ্ধি ও কার্যক্ষমতা স্তব্ধ করেন। জ্যোতিষশাস্ত্রে তাঁকে মঙ্গলগ্রহের অধিষ্ঠাত্রী দেবী বলা হয়। ভৌমদোষ, মামলা-মোকদ্দমা, শত্রুভয় থেকে মুক্তির জন্য এই তিথিতে তাঁর পূজা বিশেষ ফলদায়ক বলে মনে করা হয়।
এই কালীপুজোর অন্যান্য বিশেষ রূপ:
গুসকরা’র জাগ্রত মা রটন্তী কালী’র কথা :
রাজ্যের অন্যতম শক্তিস্থল গুসকরায় বা গুসখারায় রয়েছে রটন্তী কালীর মন্দির। অজয়ের শাখা নদী, কুনুরের তীরে গুসকরা গ্রামে ছিল বহু প্রাচীন এক শ্মশান। সেই শ্মশানেই আজ থেকে তিনশ বছর আগে এক সিদ্ধ তান্ত্রিক রতনেশ্বর বাবা সাধনা করতেন। তিনি নিজের হাতে সেই পঞ্চমুণ্ডির আসন প্রতিষ্ঠা করেন। আজও মন্দির প্রাঙ্গণে উত্তরদিকে সাধক রতনেশ্বরের সমাধি রয়েছে। এই মন্দিরের গর্ভগৃহে পঞ্চমুণ্ডির আসনের ওপর উঁচু বেদিতে চতুর্ভুজা দেবী রটন্তী কালী শিবের বুকের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন। প্রতিবছর মাঘ মাসের রটন্তী চতুর্দশীতে খড়-মাটি দিয়ে দেবীর বিগ্রহ নির্মাণ করা হয়। রটন্তী কালীপুজো থেকে শুরু করে সাত দিন ধরে দেবীর পুজো করা হয়। পুজোর পরই দেবীকে বিসর্জন দেওয়া হয় পাশের কুনুক নদীতে।
সাধক রতনেশ্বরের মৃত্যুর পরে মন্দিরের দায়িত্ব নেয় চোংদার পরিবার। আজও গুসকরার রটন্তী কালী মন্দিরের দায়িত্ব পালন করে চলছে গুসকরার চোংদার পরিবার। এই কালীপুজো শুরু হওয়ার পিছনে আরও একটি কাহিনি রয়েছে। গুসকরার ঐতিহ্যবাহী পরিবার হল চোঙদার পরিবার, সেই চোঙদার পরিবারের নিজস্ব পুজো এটি। চোঙদার পরিবারেরই এক সদস্য তন্ত্রসাধক ছিলেন, তিনিই মাকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে জানা যায়।
রীতি:
নদীর জলে দেবীর গা থেকে মাটি ধুয়ে যাওয়ার পর কাঠামোটি মন্দিরে আনা হয়। সেখানে মাটি দিয়ে দেবীর বিগ্রহ ও মহাদেবের মুখমণ্ডল তৈরির পর কাঠামোর বাকি অংশে কাপড় পরিয়ে বছরভর পুজো করা হয়। রটন্তী কালীপুজো ছাড়াও এই মন্দির প্রতি অমাবস্যায় বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। প্রতি বছর দীপান্বিতা কালী পুজোয় রীতিমতো ঘটা করে কালীর আরাধনা করা হয়। সেই সময় দুশো থেকে আড়াইশো ছাগল বলি হয় এই মন্দিরে।
রটন্তী কালী পূজা পূর্ণ তিথিতে হরিপাল সবুজ কালী মায়ের দর্শনে:

মা কালীর নাম নিলেই আমাদের মনে কৃষ্ণবর্ণা, কালো কিংবা নীল রঙের বিগ্রহের কথায় মাথায় আসে। আমরা আবার শ্বেত কালীরও কথা শুনেছি। কিন্তু কখনও কি সবুজ কালীর নাম শুনেছেন?
সবুজ কালী! দেবীর গায়ের রং দূর্বার মতো সবুজ। হুগলি জেলার শ্রীপতিপুর নামক এক গ্রামে দেখা মেলে এই সবুজ কালীর। দেবীর এই রূপের পিছনে আছে অলৌকিক কারণ।
এই শ্রীপতিপুর গ্রামের অধিকার পরিবারেই পূজিত হন এই কালী। এই দেবীর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বটকৃষ্ণ অধিকারী।বটকৃষ্ণ অধিকারী লেখাপড়া শেষ করে চাকরিতে যোগ দিলেও বেশিদিন তাতে মন বসাতে পারেননি। গ্রামে ফিরে গরু পালন, চাষবাস প্রভৃতি নিয়েই থাকতে বেশি ভালবাসতেন ।
গ্রামের কাছেই ছিল এক শ্মশান। সেখানে গরু বেঁধে শ্মশানের কাছেই মাঠে বসে বাঁশি বাজাতেন বটকৃষ্ণ। আর সবাই তা মুগ্ধ হয়ে শুনতেন। সেই সময় থেকেই সাধনার আশ্রয় নেন তিনি। অগত্যা সেই শ্মশানেই সাধনা শুরু করেন।
একদিন শ্মশানের কাছে গরুর খুঁটি বাঁধতে গিয়ে বটকৃষ্ণ অধিকারী বুঝতে পারেন তাকে কেউ পিছন থেকে নাম ধরে ডাকছেন। পিছন ফিরে তাকাতেই তিনি দেখতে পান একজন পুরুষ তাঁকে দীক্ষা দেবেন বলে ডাকছেন।
সেই সাধকের নির্দেশে তিনি বাড়ি ফিরে তাঁর মায়ের অনুমতি নেন এবং পরবর্তীতে সেই সাধকের কাছে গিয়েই দীক্ষা গ্রহণ করেন। এর পরে একদিন বটকৃষ্ণ অধিকারী স্বপ্নাদেশ পান। সেই স্বপ্নে দেখেন দেবী তাঁকে মূর্তি এনে বাড়িতে পুজো করার নির্দেশ দিচ্ছেন।
কিন্তু বৈষ্ণব পরিবার ও প্রতিবেশীদের বাধার মুখে পড়ে সেই সময় তিনি কালীমূর্তি পুজো করা থেকে পিছিয়ে যান। ফের তিনি শ্মশানে সাধনা করতে যান এবং দেখতে পান কচি দূর্বা ঘাসের ওপর শ্রীকৃষ্ণ এবং শ্যামা একসঙ্গে দাঁড়িয়ে আছেন।
তাঁরা বটকৃষ্ণকে বলেন শ্যামা ও শ্যাম অভিন্ন। এটি বলার পরেই দু’টি মূর্তি পরস্পরের সঙ্গে মিশে যায় এবং তৈরি হয় এক দেবী মূর্তি। যে মূর্তির রং ছিল সবুজ।
সেই থেকেই তিনি সবুজ কালীপুজো করার সিদ্ধান্ত নেন। এর পরেই রটন্তী কালীপুজোর দিন অধিকারী বাড়িতে প্রতিষ্ঠা হয় সবুজ কালীর বিগ্রহ।
পুজোর বিধি: মায়ের অঙ্গরাগ হয় দূর্বাঘাসের ভিতরের কচি সবুজ পাতার রং মিশিয়ে। দীপান্বিতা শ্যামা পুজোর দিন মায়ের বিশেষ ষোড়শ উপাচারে পুজো, আরতি, আমিষ ভোগ ও হোম নিবেদন হয়। আগের দিন ভূত চতুর্দশী তিথিতে, কৃষ্ণকালী মায়ের কাছে চোদ্দপ্রদীপ জ্বালিয়ে মায়ের কাছে মানত করলে মা সকলের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন এবং কাউকে ফিরিয়ে দেয় না।।
আধ্যাত্মিক তাৎপর্য
রটন্তী কালীপূজা কেবল একটি আচার নয়—এ এক গভীর দর্শন। এখানে কালী আর কৃষ্ণ ভিন্ন নন। শক্তি ও পুরুষ, শাক্ত ও বৈষ্ণব—দুই ধারাই এক মহাস্রোতে এসে মেশে। এই পূজা শেখায়; সত্য বিশ্বাস ও সম্পূর্ণ সমর্পণ থাকলে ঈশ্বর নিজেই রক্ষাকর্তা হয়ে ওঠেন।
মাঘ কৃষ্ণচতুর্দশীর সেই আঁধারময় সন্ধিক্ষণে তাই আজও বহু ভক্ত বিশ্বাস করেন—যে মা কালী রাধার মান রক্ষা করেছিলেন, তিনিই আজও রক্ষা করেন তাঁর ভক্তের সম্মান, বিশ্বাস ও জীবনের আলো।
এই কাহিনি শুধু পৌরাণিক গল্প নয়—এ আমাদের জীবনেরও শিক্ষা। সন্দেহের অন্ধকারে যখন পথ হারাই, তখনই শক্তির আলো আমাদের সত্যের দিকে ফিরিয়ে আনে।


